বুধবার রাতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান শাওন।
সুমাইয়ার জিজ্ঞাসাবাদের বরাতে বনানী থানার এসআই আব্দুল কাদির রাশেদ বলেন, পিকআপভ্যান চালক শাওন ১০ মাস আগে প্রেম করে সুমাইয়া আক্তারকে বিয়ে করেন। বিয়ের পর সুমাইয়া জানতে পারে শাওনের দ্বিতীয় স্ত্রী এবং এক সন্তান আছে। এ নিয়ে কলহের জেরে গতকাল সন্ধ্যায় তাদের মধ্যে আবারও কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে বাসায় থাকা ধারালো ছুরি দিয়ে শাওনের পেটে আঘাত করেন সুমাইয়া। পরে সুমাইয়া তাকে উদ্ধার করে মহাখালীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে তিনি সেখান থেকে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে ভর্তি করেন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার মধ্যরাতে শাওন মারা যান।
.png)
তিনি জানান, এ ঘটনায় বনানী থানায় একটি মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহটি মর্গে পাঠানো হয়েছে।
নিহতের বাড়ি পটুয়াখালীর সদর উপজেলার বরুনবাড়িয়া গ্রামে। তিনি ওই এলাকার মৃত মজিবর পেদার ছেলে।