রোববার গলায় ওড়না পেঁচানো ঐ গৃহবধূর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।
নিহতের পরিবারের অভিযোগ, গলায় ওড়না পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তার স্বামী তাকে হত্যা করেছে। আমরা এ হত্যার বিচার চাই। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অভিযুক্ত স্বামী শুভকে আটক করেছে পুলিশ।
.png)
এলাকাবাসী জানিয়েছেন, বিয়ের পর থেকেই যৌতুকের টাকার দাবিতে প্রায়ই স্ত্রীকে মারধর করত শুভ। একটি ওয়ার্কশপের কর্মচারী শুভ স্ত্রী ও সন্তান নিয়ে এলাকার একটি ভাড়া বাসায় বসবাস করত।
নিহত সেলিনার বাবা সিরাজুল ব্যাপারী জানিয়েছেন, তিন বছর আগে তার মেয়ের বিয়ে হয়েছে। তারপর থেকেই যৌতুকের দাবিতে অত্যাচার করত শ্বশুরবাড়ির লোকজন। অত্যাচার সইতে না পেরে বেশ কয়েকবার সেলিনা রাগ করে বাবার বাড়িতে চলে যায়। পরে বুঝিয়ে শুনিয়ে তাকে শ্বশুরবাড়ি ফেরত পাঠানো হয়। গতরাতেও সেলিনা মারধরের কথা বাবাকে জানিয়েছিল।
এ বিষয়ে দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ শাহজামান জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শুভকে আটক করা হয়েছে।