ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

লেকে মাছ ছাড়তে পারলে মশা নিধনে ন্যাচারাল সলিউশন হবে: মেয়র আতিক

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ২০:০৪, ১১ জানুয়ারি ২০২৩
লেকে মাছ ছাড়তে পারলে মশা নিধনে ন্যাচারাল সলিউশন হবে: মেয়র আতিক
রাজধানীর বারিধারা এলাকায় ড্রেনে, খালে বা লেকে দেওয়া পয়োবর্জ্যের সংযোগ সারফেস বন্ধ করতে অভিযান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম- ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেছেন, পয়োবর্জ্যের কারণে লেকগুলোর পানি দূষিত হয়ে গেছে। তাই লেকে মাছ চাষ করা যাচ্ছে না। মাছ ছাড়তে পারলে মশা নিধনে ন্যাচারাল সলিউশন হবে।

বুধবার রাজধানীর বারিধারা এলাকায় ড্রেনে, খালে বা লেকে দেওয়া পয়োবর্জ্যের সংযোগ সারফেস বন্ধ করতে অভিযান শেষে তিনি এ কথা বলেন।

মেয়র আতিক বলেন, মশা নিধনে ন্যাচারাল সলিউশন সম্ভব হচ্ছে না মাছ চাষ করতে না পারার কারণে। গুলশান, বারিধারা, নিকেতন, বনানী লেকের পানি যদি পয়োবর্জ্যের কারণে দূষিত না হতো তাহলে আমরা মাছ চাষ করতে পারতাম। অভিজাত এলাকার অসচেতন মানুষের কারণে লেকের পানি বারবার দূষিত হচ্ছে। তবে আমরা ড্রেন ও খাল আর দূষিত হতে দেব না। বাড়ির মালিকরা যদি অনতিবিলম্বে সারফেস ড্রেন থেকে পয়োবর্জ্যের অবৈধ সংযোগ সরিয়ে না নেয় তাহলে স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেবে ডিএনসিসি।

Advertisement

তিনি আরো বলেন, লাইনে পয়োবর্জ্যের সংযোগ কোনোভাবেই দেওয়া যাবে না। ওয়াসার পৃথক লাইনে এসব বাড়ির বর্জ্য যাওয়ার কথা থাকলেও সেটি নেই। যেখানে ওয়াসার লাইন নেই সেখানে নিজস্ব ব্যবস্থায় ইটিপি প্ল্যান্ট বসিয়ে পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা করতে হবে। এ বিষয়ে ধারাবাহিকভাবে অভিযান পরিচালনা করা হবে। গুলশান, বারিধারার পর আমরা বনানী ও নিকেতন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করবো।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমডোর এস এম শরিফ-উল ইসলাম প্রমুখ।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকায় ডিএনসিসির প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা, বুয়েটের সাবেক অধ্যাপক ড. মুজিবুর রহমান, ঢাকা ওয়াসার প্রতিনিধি, বুয়েট প্রতিনিধি, হাউজিং সোসাইটির প্রতিনিধি এবং ইউনেসেফের প্রতিনিধির সমন্বয়ে সাসটেনশন কমপ্লায়েন্স কমিটি জরিপ কাজটির তত্ত্বাবধান করেছে। চারটি এলাকার ৩ হাজার ৮৩০টি বাড়িতে জরিপ করা হয়। এই বাড়িগুলোর মধ্যে ৩ হাজার ২৬৫টি বাড়ির পয়োবর্জ্য সরাসরি সারফেস ড্রেন ও লেকে পড়ছে। মাত্র ৪১টি বাড়িতে পয়োবর্জ্যের সংযোগ সঠিকভাবে দেওয়া আছে এবং ৫২৪টি বাড়িতে আংশিকভাবে পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা করা হয়েছে। ফলে লেকের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট হচ্ছে ও মশার উপদ্রব বৃদ্ধি পাচ্ছে।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমআরকে
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!