তিনি বলেন, ড্রেন, খাল ও লেক দূষণমুক্ত করতে পয়োবর্জ্যের অবৈধ সংযোগ বন্ধে অভিযান পরিচালনা করছি। সর্বোপরি জনসচেতনতা খুব জরুরি। এটি নিয়ে কাজ করছি।
সোমবার দুপুরে রাজধানীর গুলশানে নগর ভবনে নিজ কার্যালয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) বাংলাদেশ প্রতিনিধি বার্ধন জং রানার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে মেয়র এসব কথা বলেন।
.png)
বৈঠকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে এবং জনগণের স্বাস্থ্য সুরক্ষায় ডিএনসিসির নেয়া কার্যক্রম তুলে ধরেন মেয়র আতিক। এ সময় ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণ ও নাগরিকদের মধ্যে জনসচেতনতা বাড়াতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার সহায়তা চেয়েছেন তিনি।
ডিএনসিসি মেয়র বলেন, ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা খুবই আন্তরিক। ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং এ বিষয়ে জনগণকে সচেতন করতে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কাজ করতে আগ্রহী। মশার প্রজননক্ষেত্র ধ্বংস করতে ডিএনসিসিকে সহযোগিতা দেবে সংস্থাটি।
বৈঠকে আরো উপস্থিত ছিলেন- ডিএনসিসি মেয়রের উপদেষ্টা অধ্যাপক কবিরুল বাশার, ডিএনসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সেলিম রেজা, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল জোবায়দুর রহমান, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহ. আমিরুল ইসলাম, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার বাংলাদেশের মেডিকেল অফিসার অনুপমা হাজারিকানা, সংস্থাটির ন্যাশনাল প্রফেশনাল অফিসিয়াল সাবেরা সুলতানা প্রমুখ।