সোমবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুর মডেল থানাধীন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদের গ্রেফতার করা হয়।
এরা হলেন- সোহেল রানা ওরফে মিলন (৩৭), মো. ময়নুল ইসলাম মিঠু (২৮), হাফিজার রহমান (৪০), ইব্রাহিম (২৩), আল আমিন। এদের মধ্যে সোহেল রানা ওরফে মিলন প্রতারক চক্রের মূল হোতা।
.png)
র্যাব-৪ এর অধিনায়ক (সিও) লেফট্যানেন্ট কর্নেল মোহাম্মদ আবদুর রহমান গণমাধ্যমে জানান, এ চক্রের সদস্যরা বিভিন্ন বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে সরকারি-বেসরকারি উচ্চ বেতনে চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ ও দরিদ্র বেকার যুবকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবদে আসামিরা তাদের অপরাধ স্বীকার করেছেন। তারা প্রতারণামূলকভাবে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের বেকার যুবকদের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন।
আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানায়, তারা জালিয়াতির মাধ্যমে ভুয়া ও নকল কাগজপত্র, ভুয়া নিয়োগপত্র তৈরি ও হেফাজতে রাখে। পরে উচ্চ বেতনের চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকার অসহায় বেকার যুবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করে এবং তাদের কাছ থেকে নগদ লাখ লাখ টাকা অগ্রিম নিয়ে ভুয়া নিয়োগপত্র দিতেন। এ প্রতারক চক্রের রয়েছে কিছু পেইড এজেন্ট যারা বেকার ও শিক্ষিত যুবকদের কাছে নিজেরা চাকরি পেয়ে উপকৃত হয়েছে বলে ভুক্তভোগীদের আস্থা অর্জন করত। এ প্রতারক চক্র কোনো বাহিনীর সদস্য না হয়েও বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদীন ধরেই পূর্ব-পরিকল্পিতভাবে বিভিন্ন বাহিনীসহ সরকারি-বেসরকারি চাকরি দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানের সাধারণ ও নিরীহ লোকজনকে প্রলুব্ধ করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিচ্ছিল।
গ্রেফতার আসামিদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানিয়েছেন র্যাবের এ কর্মকর্তা