আরিয়ান নোয়াখালী জেলার বাসিন্দা অটোচালক ও ট্রাক হেলপার মো. আরিফের ছেলে। বর্তমানে চকবাজার ২৭/২/১ নম্বর কাজী রিয়াজউদ্দিন রোডে একটি ভবনের নিচ তলায় পরিবারের সঙ্গে ভাড়া বাসায় থাকতো। এক ভাই ও এক বোনের মধ্যে আরিয়ান ছিল ছোট।
চকবাজার থানার উপপরিদর্শক (এসআই) রাইসুল ইসলাম জানান, শুক্রবার দুপুর ২টার পর থেকে শিশুটি নিখোঁজ ছিল। পরে স্বজনরা অনেক খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে রাত ২টার দিকে শিশুর মা ইয়াসমিন আক্তার থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। শনিবার রাত সোয়া ৮টার দিকে ফায়ার সার্ভিসের একটি টিম পাঁচতলা বাড়ির নিচ তলার সেপটিক ট্যাংক থেকে তার লাশ উদ্ধার করে।
.png)
ঐ ভবনের টাংকির মুখ শক্তভাবে আটকানো ছিল না উপরে শুধু কাঠ দিয়ে ঢাকা ছিল উদ্ধার বলে জানান তিনি।
তিনি আরো জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে— আরিয়ানসহ তিন শিশু চোর-পুলিশ খেলার সময় হয়তো আরিয়ান পালাতে গিয়ে কোনোভাবে ঐ সেপটিক ট্যাংকে পরে যায়। আরিয়ানের লাশ উদ্ধার করে আইনি প্রক্রিয়া শেষে রাত ১১টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ বলা যাবে।
আরিয়ানের ফুফাতো ভাই ইমন বলেন, গতকাল দুপুরে বাসার পাশের গলিতে আরিয়ানসহ কয়েকজন শিশু গলিতে খেলতে থাকে। পরে বিকেল ২টা পর্যন্ত ঐ গলিতে অন্যান্য শিশুদের সঙ্গে খেলা করতে দেখা যায়। তারপর থেকে তাকে আর দেখা যায়নি।