ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]
ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের অভিযান

বেশি দামে মুরগি বিক্রি করায় রাজধানীর এক আড়ত বন্ধ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৩:৪৩, ২৭ মার্চ ২০২৩
বেশি দামে মুরগি বিক্রি করায় রাজধানীর এক আড়ত বন্ধ
সংগৃহীত ছবি

মুরগির দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে নিয়মিত অভিযান চালাচ্ছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতর। এরই অংশ হিসেবে বেশি দামে সোনালি মুরগি বিক্র করায় রাজধানীর কাপ্তান বাজারের একটি আড়তকে সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করেছে সংস্থাটি।

সোমবার সকালে ‘জনতা হাঁসমুরগির আড়ত’ নামের ঐ প্রতিষ্ঠানটি সাময়িকভাবে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে আড়তটির জাকারিয়া নামের এক প্রতিনিধিকে (লাইনম্যান) বাজার মালিক সমিতির হেফাজতে দেওয়া হয়েছে। মুরগির দাম নিয়ে কারসাজির ব্যাখ্যা দিতে ঐ প্রতিনিধিসহ বাজার মালিক সমিতির নেতাদের দুপুরে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের কার্যালয়ে ডাকা হয়েছে।

এছাড়া ক্রয় রশিদ না থাকা ও বেশি দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি করায় আল আমিন ট্রেডার্স নামে একটি দোকানকে এক হাজার টাকা জরিমানা করেছে সরকারি এই তদারকি সংস্থাটি।

অভিযানটিতে নেতৃত্ব দেন জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের পরিচালক মনজুর মোহাম্মদ শাহরিয়ার।

Advertisement

তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার (২৩ মার্চ)  মুরগি উৎপাদনকারী বড় চার প্রতিষ্ঠান (সিপি, আফতাব, কাজী, প্যারাগন) ভোক্তা অধিদফতরের কার্যালয়ে এসে ব্রয়লার মুরগি মিল পর্যায়ে সর্বোচ্চ ১৯৫ টাকা কেজি দরে বিক্রির ঘোষণা দেয়। এর ভিত্তিতে গত শুক্র ও শনিবার (২৪ ও ২৫ মার্চ) দেশব্যাপী তদারকি কার্যক্রম পরিচালনা করে ভোক্তা অধিদফতর। তদারকি অভিযানে সার্বিকভাবে দেখা যায়, ব্রয়লার মুরগির দাম পড়তির দিকে। কিন্তু আজ কাপ্তান বাজারে তদারকি করে দেখা গেছে, পাইকারি যে দামে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হওয়ার কথা সেই দামে বিক্রি হচ্ছে না। কেউ ১৭০ টাকা, কেউ ১৭৫ টাকা করে ব্রয়লার মুরগি কিনেছেন। এই দামে কিনলে কত টাকা করে বিক্রি করা যায় তা আমরা বিক্রেতাদের কাছে জানতে চেয়েছি। কেউ বলেছেন ১৯০ টাকা, কেউ বলেছে ১৮৫ টাকা করে বিক্রি করা যায়। কিন্তু বাজারে ১৯০ টাকা করে কোথাও ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে না। এ জন্য আমরা বাজার সমিতিকে ডেকেছি এবং তাদের বিষয়টি অবহিত করেছি।

তিনি আরো বলেন, ব্রয়লার মুরগির দাম অনেকটা কমে এলেও সোনালি মুরগির ক্ষেত্রে এখনো অস্থিরতা রয়েছে। খুচরা পর্যায়ে কোনো ব্যবসায়ী ৩৩৫ টাকা কেজিতে সোনালি মুরগি বিক্রি করছেন, কেউ ৩৪০ টাকায় বিক্রি করছেন। আবার একই মুরগি কেউ ৩৩০ টাকায় বিক্রি করছেন। এ জন্য আমরা মুরগির আড়ত তদারকি করতে যাই। সেখানে গিয়ে আমরা অনিয়ম পাওয়ায় একটি আড়তকে সমায়িকভাবে বন্ধ করেছি। 

এ সময় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরের সহকারী পরিচালক ও ঢাকা জেলা কার্যালয়ের অফিস প্রধান আব্দুল জব্বার মন্ডলসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এমএস
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!