পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, প্রাইভেটকারে থাকা অচেতন তরুণ-তরুণী একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী। ঘটনার সময় তারা অতিরিক্ত মদ পান করে নিয়ন্ত্রণহীন ছিলেন। ফলে একটি বাইক ও একটি রিকশাকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালান। কিন্তু মোটরসাইকেলের চালক তাদের পিছু নেয়।
এক পর্যায়ে মালিবাগ সিগন্যালে গাড়িটি থামলে লোকজন তাদের আটকে ফেলে। ঐ সময় ড্রাইভিং সিটে চুপচাপ বসেছিলেন তরুণ চালক। তার পাশের আসনে পা রাখার জায়গায় অচেতন হয়ে পড়েছিলেন এক তরুণী। সেই তরুণীর কোনো সাড়াশব্দ ছিল না। পরে গাড়িসহ তাদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
.png)
কিন্তু হাসপাতালে নেয়ার পর ঐ তরুণী হঠাৎ চিৎকার চেঁচামেচি শুরু করেন এবং পুলিশ-চিকিৎসকদের গালাগালি করতে থাকেন। শুধু তাই নয়, পুলিশের অনুরোধে চিকিৎসক যখন তাদের স্টমাক ওয়াশ করতে বলেন তখন শুরু হয় প্রবল মাতলামি। কিছুতেই স্টমাক ওয়াশ করবেন না তারা। জরুরি বিভাগের টিকিটও ছিঁড়ে ফেলেন তারা। এক পর্যায়ে মাটিতে পড়ে গড়াগড়ি খান ঐ তরুণী। ৩ ঘণ্টা পর অবস্থা বেগতিক দেখে ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ি থেকে শাহবাগ থানায় খবর দেওয়া হয়। পরে রামপুরা থানার পুলিশ এসে তাদের থানায় নিয়ে যায়।
রামপুরা থানার ওসি রফিকুল ইসলাম বলেন, মাদক আইনে মামলা করে সেই তরুণ তরুণীকে আদালতে পাঠানো হয়েছে। মদ খেয়ে গাড়ি চালিয়ে তারা বিভিন্ন গাড়িতে ধাক্কা দিয়েছেন। মদ্যপ অবস্থায় বিভিন্নজনের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন, ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে যাওয়ার পর পুলিশকেও গালিগালাজ করছেন।