ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

ডিএনসিসির মশক নিধন অভিযানে ৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা জরিমানা

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৯:২১, ৬ আগস্ট ২০২৩
ডিএনসিসির মশক নিধন অভিযানে ৫ লাখ ৭২ হাজার টাকা জরিমানা
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের (ডিএনসিসি) বিশেষ মশক নিধন অভিযানে আটটি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ৯ মামলায় মোট পাঁচ লাখ ৭২ হাজার পাঁচশ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

রোববার ডিএনসিসির ১০টি অঞ্চলে একযোগে অভিযান পরিচালনা করে এ জরিমানা আদায় করেন আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটরা। জুলাই মাসে শুরু হওয়া এ অভিযান পুরো আগস্ট মাস জুড়ে চলবে।

অঞ্চল-৩ এর আওতাধীন বাড্ডা এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুলকার নায়ন অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনাকালে বাসা-বাড়ি ও নির্মাণাধীন ভবনে মশক বিরোধী অভিযানে এডিস মশার লার্ভা পাওয়ায় ৪টি মামলায় মোট দুই লাখ ৫০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। 

Advertisement

ডিএনসিসির অঞ্চল-৪ এর আওতাধীন মিরপুর পাইকপাড়া ও শাহ আলীবাগ এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবেদ আলী অভিযান পরিচালনা করেন। অভিযানে প্রায় ৭০টি নির্মানাধীণ ভবন, বাসা পরিদর্শন করা হয়েছে। দুটি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় বাড়ির মালিকদের ২টি মামলায় দুই লাখ ২০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। 

অঞ্চল-২ এর আওতাধীন মিরপুর এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াউর রহমান অভযান পরিচালনা করেন। অভিযানে লার্ভা পাওয়ায় ২টি মামলায় ৫২ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। 

অঞ্চল-১ ও ৭ এর আওতাধীন উত্তরা সেক্টর-০৩ এলাকায় অভিযান চালিয়ে ১টি ভবনে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাজিয়া আফরীন এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা স্কুলে শিক্ষার্থীদের মাঝে সচেতনতামূলক কার্টুন বুক বিতরণ করেন।

ডিএনসিসির অঞ্চল-৬ এর আওতাধীন উত্তরা এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আব্দুল্লাহ আল বাকী ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন। অভিযান পরিচালনা করে ১টি মামলায় ১০ হাজার পাঁচশ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। 
 
অঞ্চল-৯ এর আওতাধীন ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের ওয়াজ উদ্দিন রোড এলাকায় আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জিয়াউল বাসেত অভিযান পরিচালনা করেন। একটি বাড়িতে এডিসের লার্ভা পাওয়ায় ২০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়।

এছাড়াও সহকারী স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা ডিএনসিসির দশটি অঞ্চলের বিভিন্ন স্থানে ঘুরে ঘুরে লিফলেট বিতরণ করে এবং মাইকিং করে জনসাধারণকে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতন করেন। বাংলাদেশ স্কাউট ও বিএনসিসির সদস্যরাও ডিএনসিসির কর্মীদের সঙ্গে যুক্ত হয়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। 

ডেইলি-বাংলাদেশ/জেডআর
ট্যাগ: ডিএনসিসি
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!