ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ রাজধানী ]

হাতিরঝিলের চেয়েও নান্দনিক হবে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল: মেয়র তাপস

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত: ১৪:৪৪, ৩০ আগস্ট ২০২৩
হাতিরঝিলের চেয়েও নান্দনিক হবে আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল: মেয়র তাপস
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস বলেছেন, আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেলকে হাতিরঝিলের চেয়েও বেশি নান্দনিক করে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে।

বুধবার আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধারে চলমান কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে এ কথা বলেন তিনি।

মেয়র তাপস বলেন, হাতিরঝিলের কাজ শেষ করতে প্রায় ১০ বছর সময় লেগেছিল। আর হাতিরঝিল কিন্তু বদ্ধ জলাশয়। এটা (আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল) উন্মুক্ত নদীর অববাহিকা। এখানে একটু ভিন্নতা রয়েছে। এটিকে আরো সুন্দর, আরো বেশি নান্দনিক করে গড়ে তুলতে আমরা পরিকল্পনা নিয়েছি।

Advertisement

প্রকল্প প্রণয়নের কার্যক্রম চলমান রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল পুনরুদ্ধারে প্রথম পর্যায়ে নিজস্ব অর্থায়নে আমরা ২৫ কোটি টাকা বরাদ্দ রেখেছিলাম। সেখান থেকে প্রায় ২৩ কোটি টাকা ব্যয়ে আমরা প্রাথমিক পর্যায়ের খনন কাজ সম্পন্ন করেছি। এই নদীর অববাহিকা পূর্ণরূপেই ভরাট করে ফেলা হয়েছিল। কিন্তু নদীর প্রবাহে সেই অববাহিকা আবার ফিরে এসেছে। এখন দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজগুলো হাতে নিয়েছি।

ডিএসসিসি মেয়র বলেন, বেড়িবাঁধের পাশ দিয়ে ঢালের যে অংশ দখল হয়েছিল সেই অংশটা এ মৌসুমে পূর্ণরূপে দখলমুক্ত করতে চাই। আমরা এরই মধ্যে পরামর্শক নিয়োগ করেছি। তারা প্রাথমিক প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন। এই চ্যানেলটি কালুনগর স্লুইসগেট থেকে মুসলিমবাগ পর্যন্ত ৭ কিলোমিটার জুড়ে বিস্তৃত। ভৌগোলিক অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে এক কিলোমিটার করে নকশা প্রণয়নের জন্য তাদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এখন নকশা প্রণয়নের কাজ চলমান।

আদি বুড়িগঙ্গা চ্যানেল ৩ বছরের মধ্যে পুনরুদ্ধারের আশাবাদ ব্যক্ত করে তিনি বলেন, হাতিরঝিলের মতো ১০ বছর সময় যেন না লাগে সেজন্যই আমাদের এ কর্মকৌশল। গত বছর আমরা যখন বর্জ্য অপসারণ, দখলদার উচ্ছেদ ও সীমানা নির্ধারণ শুরু করি তখন নদীর অববাহিকা ছিল না। কিন্তু এখন পানি প্রবাহ, নিষ্কাশন ও জলাবদ্ধতা নিরসন হয়েছে। সুতরাং প্রাথমিক কাজটা আমরা সম্পন্ন করেছি। আশা করছি, বাকি কাজ সম্পন্ন করতে তিন বছর সময় লাগতে পারে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন- ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান, ডিএসসিসি সচিব আকরামুজ্জামান, অঞ্চল-৩ এর আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তা বাবর আলী মীর, ২৪ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মোকাদ্দেস হোসেন জাহিদ, ৫৬ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোহাম্মদ হোসেন, সংরক্ষিত ওয়ার্ডের কাউন্সিলর নিলুফার রহমান প্রমুখ।

ডেইলি-বাংলাদেশ/এআর
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!