সোমবার দুপুরে রাজধানীর মালিবাগে সিআইডির সদর দফতরে সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান বাহিনীর প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া।
তিনি জানান, ঐ নারী গত ৭ নভেম্বর মামলা করেন। তদন্তের এক পর্যায়ে গতকাল রোববার চক্রের মূলহোতা আশিকুর রহমানকে মাগুরা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয় সিআইডি। তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ঢাকার কেরাণীগঞ্জ থেকে চক্রের আরো ১৮ সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। তারা ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ছোট-ছোট গ্রুপে ভাগ হয়ে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করে প্রতারণা করে আসছিলেন।

.png)
প্রতারক চক্রের দুটি কৌশল উল্লেখ করে সিআইডিপ্রধান বলেন, যে পরিবারের কাউকে তারা টার্গেট করতেন, নানা উপায়ে ঐ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করতেন তারা। তারপর ঐ ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করে পারিবারিক সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিতেন নানা প্রলোভন দেখিয়ে। তারা বিভিন্ন মাধ্যমে নিজেদের লোভনীয় বিজ্ঞাপন প্রচার করতেন। এভাবে ঐ নারী চিকিৎসকের কাছ থেকে তারা কয়েক দফায় ২৫ লাখ টাকা হাতিয়ে নেন।
তিনি আরো বলেন, চক্রের মূল হোতা আশিকুর রহমানকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়– চক্রটির সদস্যরা ২০২০ সাল থেকে এই প্রতারণা করে আসছে। শুরুর দিকে তারা বিভিন্ন পত্রিকা ও টিভি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন দিতেন। পরে তারা এসবের পাশাপাশি ইউটিউব ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিজ্ঞাপন দিতে থাকেন। টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য ব্যবহার করতেন এমএসএফ নম্বর। গ্রেফতারদের কাছ থেকে প্রতারণার সঙ্গে জড়িত ৪১টি মোবাইল, বিপুল সিমকার্ড ও কিছু ডিজিটাল ডিভাইস জব্দ করা হয়েছে।