গ্রেফতারকৃতদের নাম সীমা ওরফে প্রিয়া ও মনি। শনিবার তাদের ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে পাঠানো হয়েছে।
সীমা ওরফে প্রিয়া দক্ষিণখানের ফায়দাবাদ চুয়ারিরটেক এলাকার শাওন প্রধানের স্ত্রী এবং মনি সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার মানিকখালী গ্রামের আলমের মেয়ে। দুজনই ফায়দাবাদ চুয়ারিরটেক এলাকায় থাকেন।
.png)
উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই মো. হানিফ উদ্দিন মণ্ডল ঐ দুই তরুণীকে আদালতে পাঠান। নন-এফআইআরে তিনি উল্লেখ করেছেন, থানা এলাকায় দায়িত্ব পালনকালে রাত আনুমানিক ১টার দিকে ১৩নং সেক্টরের জমজম টাওয়ারের সামনের রাস্তার ওপর জনগণের গতিরোধ করে হৈ হল্লা ও চিল্লাচিল্লি করে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করছিলেন ঐ দুই তরুণী। সে সময় জনগণের সঙ্গে তাদের ধস্তাধস্তি হয়। এতে রাস্তায় পড়ে গিয়ে সীমা ওরফে প্রিয়া আঘাত পান। পরে তাকে কুয়েত বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়।
জমজম টাওয়ারের সামনের রাস্তায় পুলিশের গাড়ির গতিরোধ করেন দুই তরুণী। এ সময় পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন দুইজন আনসার সদস্য এবং একজন কনস্টেবল। পাশেই ছিলেন উত্তরা পশ্চিম থানার এসআই হানিফ উদ্দিন মণ্ডল।
এক তরুণী চিৎকার করে বলেন, এখানে ভিডিও করে কোনো লাভ নাই। ওনারা বিনাকারণে আমাদের পেটাচ্ছে। যদি আমাদের ফ্যামিলি কোনো কারণে জেনে যায়, তাহলে আমাদের মানসম্মান কিছুই থাকবে না।
এ সময় আরেক তরুণী রাস্তার ওপর দাঁড় করিয়ে রাখা পুলিশের গাড়ির বনেটে কিল, ঘুষি মারতে থাকেন। পরে পুলিশের একজন নারী সদস্য তাকে সরিয়ে দেন।