শনিবার রিহ্যাবের বোর্ড সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।
সভায় ড্যাপ এবং বিধিমালা সংশোধনে সময়ক্ষেপণ করায় চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেন রিহ্যাব নেতৃবৃন্দ।
.png)
তারা বলেন, বিধিমালা সংশোধনে রাজউকের চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন পর্যায়ে বিভিন্ন অংশীজনদের নিয়ে একাধিক সভা হয়। রাজউক চেয়ারম্যান ১০ কার্যদিবসের মধ্যে রিহ্যাবের কাছে প্রস্তাবনা চান। রিহ্যাবের পক্ষ থেকে ৭ দিনের মধ্যে বিধিমালা সংশোধনের বিস্তারিত প্রস্তাবনা দেওয়া হয়। রিহ্যাব কথা রাখলেও বিভিন্ন সময় রাজউক বিধিমালা সংশোধনে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না। ফলে পুরো আবাসন খাতে স্থবিরতা নেমে এসেছে। বৈষম্যমূলক নতুন নিয়মে জমির মালিকরা জমি ডেভেলপ করার জন্য কোন জমি দিতে রাজি হচ্ছেন না। ফলে ফ্ল্যাটের শূন্যতা তৈরি হচ্ছে এবং দাম বাড়ছে। নাগরিকদের মাথা গোঁজার স্বপ্ন ফিকে হয়ে আসছে।
সভায় রিহ্যাব প্রেসিডেন্ট মো. ওয়াহিদুজ্জামান বলেন, নির্মাণ বিধিমালা সংশোধন না হওয়ায় জমির মালিক, ডেভেলপারসহ সব ধরনের নাগরিকদের মাঝে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে। বাংলাদেশে জমির তুলনায় জনসংখ্যার আধিক্য বেশি। বাস্তবতার নিরিখে সিদ্ধান্ত গ্রহণ না করলে আগামীতে ভয়াবহ সংকট তৈরি হবে। প্রতি বছর কৃষি জমি শেষ হচ্ছে নতুন বাড়ি তৈরিতে। আমাদের অবশ্যই ভবন উপরের দিকে তুলতে হবে।
রিহ্যাব পরিচালকবৃন্দ বলেন, নির্মাণ খাতের সঙ্গে অর্থনীতির বড় ধরনের সম্পর্ক রয়েছে। আমাদের ওপর লিংকেজ শিল্প নির্ভরশীল। বর্তমানে লিংকেজ শিল্পগুলো ধুঁকছে আবাসন শিল্পে স্থবিরতা বিরাজ করায়। ১৫ শতাংশ অবদান রাখা এই খাতের জিডিপি আগামীতে কমে আসবে। সরকারকে অবশ্যই এ বিষয়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।
সভায় রিহ্যাব নেতৃবৃন্দ বলেন, আমরা একাধিকবার গণপূর্ত মন্ত্রণালয়, রাজউকসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সভা করেছি। আমাদের পিঠ দেয়ালে ঠেকে গেছে। ১৫ দিনের মধ্যে নির্মাণ বিধিমালা সংশোধন না করলে সব অংশীজনকে সঙ্গে নিয়ে কঠোর আন্দোলন শুরু ছাড়া আর কোনো পথ আমাদের খোলা নেই। সরকারকে অবশ্যই দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে।
সভায় রিহ্যাবের ভাইস প্রেসিডেন্ট এবং পরিচালকরা উপস্থিত ছিলেন।