টিকাদানে জেলা শহর এগিয়ে থাকায় হাওরবেষ্টিত নবীগঞ্জ, বানিয়াচং ও লাখাই উপজেলায় মানুষকে টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করছে উপজেলা প্রশাসন ও স্বাস্থ্য বিভাগ।
স্বাস্থ্য বিভাগের তথ্যমতে, হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৮১৩ জনের মধ্যে প্রথম ডোজ করোনার টিকা পেয়েছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ২৮৮ জন, যা মোট জনসংখ্যার ৬১ দশমিক ৬২ শতাংশ। মাধবপুরে ৩ লাখ ৮২ হাজার ৭২৪ জনের মধ্যে টিকা পেয়েছেন ৫৩ দশমিক ৬৩ শতাংশ অর্থাৎ ২ লাখ ৫২ হাজার ৭১ জন। আজমিরীগঞ্জে ৪৯ দশমিক ৯৭ শতাংশ অর্থাৎ ৬৮ হাজার ৪৯৫ জন, বাহুবলে ৪৯ দশমিক ৮৬ শতাংশ অর্থাৎ ১ লাখ ১৮ হাজার ৪৪৪ জন, চুনারুঘাটে ৪৫ দশমিক ৬৭ শতাংশ অর্থাৎ ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩৯ জন। নবীগঞ্জে ৪৩ দশমিক ৯০ শতাংশ বা ১ লাখ ৮১ হাজার ৮১৫ জন। বানিয়াচংয়ে ৪৩ দশমিক ৮৭ শতাংশ বা ১ লাখ ৭২ হাজার ৩০ জন। লাখাইয়ে টিকা পেয়েছেন ৭৫ হাজার ৭৩৮ জন, যা মোট জনসংখ্যার ৪২ দশমিক ৪২ শতাংশ।
.png)
এছাড়া দ্বিতীয় ডোজ টিকা নিয়েছেন হবিগঞ্জ সদর উপজেলায় ১ লাখ ৫৮ হাজার ১৯৬ জন, মাধবপুরে ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৫৪ জন, আজমিরীগঞ্জে ৪৩ হাজার ৪০ জন, বাহুবলে ৬৮ হাজার ১৯৪ জন, চুনারুঘাটে ৯২ হাজার ৯৮৫ জন, নবীগঞ্জে ৯৩ হাজার ৭২৮ জন, বানিয়াচংয়ে ৮৯ হাজার ১৮৭ জন ও লাখাই উপজেলায় ৪৪ হাজার ৭২২ জন।
অন্যদিকে, গেল এক মাসে ১২-১৮ বছর বয়সী ১ লাখ ৫১ হাজার ৩৫৪ জন ছাত্রছাত্রীকে করোনাভাইরাসের টিকা দিতে পেরেছে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা বিভাগ, যা শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দেওয়া লক্ষ্যমাত্রার ৮৬ দশমিক ৭৯ শতাংশ।
হবিগঞ্জের ডেপুটি সিভিল সার্জন ডা. মুখলেছুর রহমান উজ্জ্বল বলেন, শহর ও হাওরাঞ্চলের মানুষকে টিকা প্রদানে সমান গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে হাওরাঞ্চলের মানুষকে শহরবাসীর তুলনায় উদ্বুদ্ধ করা যায়নি বিধায় তারা কম টিকা পেয়েছেন। সামনের দিনে তাদের টিকাগ্রহণ বাড়াতে কাজ করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।