তিনি জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় বিআইটিআইডি, চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়, এন্টিজেন টেস্ট, ইমপেরিয়াল হাসপাতাল, শেভরন ল্যাব, চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতাল, আরটিএল, মেডিকেল সেন্টার হাসপাতাল, ইপিক হেলথ কেয়ার, ল্যাব এইড, চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন হাসপাতাল, এশিয়ান স্পেশালাইজড হাসপাতাল ও শাহ আমানত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে দুই হাজার ৯৭৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এর মধ্যে ১৮৮ জনের শরীরে করোনাভাইরাসের অস্তিত্ব পাওয়া গেছে।
পরীক্ষা অনুযায়ী শনাক্তের হার ছয় দশমিক ৩১ শতাংশ। যা আগের ২৪ ঘণ্টায় ছিল চার দশমিক ৯৬ শতাংশ। আক্রান্তদের মধ্যে নগরীর ১৩৯ জন, হাটহাজারীর ১১ জন, মিরসরাইয়ের আটজন, আনোয়ারার ছয়জন, বাঁশখালীর পাঁচজন, পটিয়ার তিনজন, সন্দ্বীপের তিনজন, লোহাগাড়ার দুইজন, রাঙ্গুনিয়ার দুইজন, সাতকানিয়ার দুইজন, ফটিকছড়ির দুইজন, রাউজানের দুইজন, বোয়ালখালীর দুইজন ও সীতাকুণ্ডের একজন রয়েছেন।
.png)
এর আগে, সোমবার ১০৭, রোববার ২০৬, শনিবার ১৮২, শুক্রবার ২৭৭, বৃহস্পতিবার ২১৭ ও বুধবার ৩৫২ জনের করোনা শনাক্তের খবর জানিয়েছিল সিভিল সার্জন কার্যালয়।
সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্যমতে, নগরীতে ৯১ হাজার ২৪৬ জন ও উপজেলা পর্যায়ে ৩৪ হাজার ২৫৬ জন নিয়ে চট্টগ্রাম জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন এক লাখ ২৫ হাজার ৫০২ জন। এছাড়া মারা গেছেন এক হাজার ৩৬০ জন। এর মধ্যে নগরীর ৭৩৪ জন ও উপজেলার ৬২৬ জন রয়েছেন।
২০২০ সালের ৩ এপ্রিল চট্টগ্রামে প্রথম করোনা রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ৯ এপ্রিল ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়ে প্রথম কোনো ব্যক্তির মৃত্যু হয়।