বুধবার সকালে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহর আদালতে ওই চার পুলিশ সদস্যকে হাজির করে র্যাবের একটি দল।
আরো পড়ুন: ৫২ বছর ধরে চেম্বারে হেঁটে আসেন ‘পাঁচ পাই’য়ের ডাক্তার!
.png)
আদালতের খাস কামরায় দুপুর থেকে তাদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি নেয়া শুরু হয়। এর আগে সকালে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে নেয়া হয়।
চার আসামি হলেন- এএসআই লিটন মিয়া, কনস্টেবল সাফানুর করিম, কামাল হোসেন ও আব্দুল্লাহ আল মামুন।
র্যাব-১৫ কক্সবাজারের উপ-অধিনায়ক মেজর মেহেদী হাসান জানান, সিনহা হত্যা মামলায় পুলিশের চার সদস্যকে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ২৪ আগস্ট দ্বিতীয় দফায় চারদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে আদালত। আদালতের আদেশে ৬ সেপ্টেম্বর তাদের দ্বিতীয় দফা রিমান্ডের জন্য জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে র্যাব। বুধবার চারদিনের রিমান্ড শেষে তারা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিতে রাজি হওয়ায় আদালতে আনা হয়েছে।
আরো পড়ুন: স্ত্রীকে পিটিয়ে মুখে হেক্সিসল ঢেলে দিলেন স্বামী
এর আগে এ মামলায় বরখাস্ত ওসি প্রদীপ, পরিদর্শক লিয়াকত ও এসআই নন্দদুলাল রক্ষিতকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাদের মধ্যে প্রদীপকে চার দফায় ১৫ দিন এবং লিয়াকত ও নন্দদুলাল রক্ষিতকে তিন দফায় ১৪ দিন করে রিমান্ডে নেয়া হয়। লিয়াকত ও নন্দদুলাল স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিলেও প্রদীপ রাজি হননি। তারা সবাই এখন কারাগারে রয়েছেন। এপিবিএন’র তিন সদস্যসহ এ পর্যন্ত আটজন স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
৩১ জুলাই রাতে টেকনাফের শামলাপুর তল্লাশি চৌকিতে পুলিশের গুলিতে নিহত হন অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।