বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কমিটির প্রধান চট্টগ্রাম বিভাগের অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (উন্নয়ন) সরকারের যুগ্ম সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।
আরো পড়ুন: কান্না থামছে না শিশু জুবায়েরের মায়ের
.png)
তিনি বলেন, অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান নিহতের ঘটনা তদন্ত করতে গিয়ে সংশ্লিষ্ট ৬৮ জনের সঙ্গে কথা বলেছে কমিটি। একইসঙ্গে তাদের বক্তব্য নেয়া হয়েছে। এসব কথা-বক্তব্য এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্ত যাচাই-বাছাই ও বিশ্লেষণ করে কমিটির সব সদস্য সর্বসম্মতভাবে প্রতিবেদনটি চূড়ান্ত করেছেন। যা রোববার মন্ত্রণালয়ে জমা দেয়া হবে। সিনহা নিহতের ঘটনাটি কেন ঘটেছিল এবং এ ঘটনায় কারা দায়ী তা প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকবে।
আরো পড়ুন: দুই ছেলের মৃত্যুতে বাকরুদ্ধ বাবা, বার্ন ইউনিটে আরেক সন্তান
তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনা যেন না ঘটে সে লক্ষ্যে সুপারিশ করবে কমিটি। আমাদের কমিটির তদন্ত কার্যক্রমের পাশাপাশি এ ঘটনায় আদালতে হত্যা মামলা করা হয়েছে। এ মামলা বর্তমানে বিচারাধীন। আইনি প্রক্রিয়ায় ঘটনার তদন্ত কার্যক্রম চালাচ্ছেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা। এ হত্যার ঘটনার জন্য কারা দোষী তা আদালতই নির্ধারণ করবে। দায়ী ব্যক্তিদের শাস্তি দেয়ার এখতিয়ারও আদালতের। আমাদের কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন প্রয়োজন মনে করলে বিচার কাজে ব্যবহার করার এখতিয়ার আদালতের রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট একটি সূত্রে জানা গেছে, প্রতিবেদনে উল্লেখ থাকবে অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খানকে হত্যার ঘটনায় অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। অথচ গুলি করার মতো পরিবেশ বা পরিস্থিতি সেখানে তৈরি হয়নি। ঘটনার সময় কয়েকজন পুলিশ সদস্যের আচরণ ও ব্যবহার ছিল অমানবিক।
আরো পড়ুন: ৫০ হাজার টাকা না দেয়ায় লাইনের সংস্কার করেনি তিতাস
মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের নেতৃত্বে গঠিত চার সদস্যের কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- সশস্ত্র বাহিনী বিভাগের প্রতিনিধি সেনাবাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল এসএম সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ বাহিনীর প্রতিনিধি অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক জাকির হোসেন খান ও কক্সবাজার প্রশাসনের প্রতিনিধি অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ শাজাহান আলী।
২ আগস্ট এ কমিটি গঠন করা হয় এবং কার্যক্রম শুরু করে ৩ আগস্ট। সাত কর্মদিবসে কমিটিকে প্রতিবেদন জমাদানের সময় বেধে দেয় মন্ত্রণালয়। এরপর প্রথমবার কমিটির সময় বাড়ানো হয় ২৩ আগস্ট পর্যন্ত। পরে কমিটির আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ফের ৩১ আগস্ট সময় বাড়িয়ে দেয়া হয়। এ সময়ের মধ্যে টেকনাফ থানার বরখাস্ত ওসি প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য নিতে না পারায় কমিটির মেয়াদ সবশেষ ৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়। ২ সেপ্টেম্বর কক্সবাজার জেলা কারাগারে প্রদীপ কুমার দাশের বক্তব্য নেয় কমিটি।