পুলিশ জানায়, উপজেলার বিরাট উজানপাড়া (আসামপাড়া) গ্রামের আবু বক্কর মিয়ার একমাত্র ছেলে সুজন আহমেদ অনেকটা লম্পট প্রকৃতির। বিভিন্ন সময় তার বিরুদ্ধে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ রয়েছে। প্রায় এক বছর আগে পার্শ্ববর্তী সুনামগঞ্জ জেলার শাল্লা উপজেলার শাল্লা গ্রামে নিজের পছন্দে বিয়ে করেন সুজন। সুজনের স্ত্রী বর্তমানে আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।
এদিকে, কয়েক মাস আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আজমিরীগঞ্জ উপজেলার শিবপাশা ইউপির সিকন্দরপুর গ্রামের এক কিশোরীর সঙ্গে পরিচয় হয় সুজনের। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। বৃহস্পতিবার বিকেলে সুজন তার বন্ধু মুসলিম মিয়াকে সঙ্গে নিয়ে ওই কিশোরীর বাড়িতে যায়। এ সময় বাড়িতে কেউ না থাকার সুবাদে বিয়ের আশ্বাসে সুজন তাকে ধর্ষণ করে।
.png)
স্থানীয় লোকজন বিষয়টি টের পেয়ে হাতেনাতে সুজন আহমেদকে আটক করে পুলিশে খবর দেয়। সন্ধ্যায় শিবপাশা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ আশরাফ আলী ঘটনাস্থলে পৌঁছে সুজনকে আটক করে আজমিরীগঞ্জ থানায় নিয়ে যান। পরে রাত ১০ টার দিকে ওই কিশোরী বাদী হয়ে সুজন আহমেদ ও তার বন্ধু মুসলিম মিয়ার নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাতনামা আরো কয়েকজনের বিরুদ্ধে আজমিরীগঞ্জ থানায় মামলা করেন।
আজমিরীগঞ্জ ওসি মোশারফ হোসেন তরফদার জানান, ধর্ষণের অভিযোগ এনে কিশোরী বাদী হয়ে মামলা করেছে। এছাড়া অভিযুক্ত সুজনকে আটক করা হয়েছে। শুক্রবার আটক যুবককে আদালতে পাঠানো হবে। ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য কিশোরীকে হবিগঞ্জ সদর হাসপাতালে পাঠানো হবে।