২ সেপ্টেম্বর উপজেলার একলাশপুর ইউপির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের খালপাড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। রোববার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে।
এ ঘটনায় আবদুর রহিমকে আটক করেছে পুলিশ। ওই গৃহবধূকে বিবস্ত্র করে তাকে মারধর করে অভিযুক্তরা। এ সময় গৃহবধূ চিৎকার করলেও বন্ধ হয়নি নির্যাতন।
.png)
রোববার দুপুরে ভিডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়।
ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, এক নারী সম্পূর্ণ বিবস্ত্র অবস্থায় গোঙাচ্ছে, কাঁদছে; সেই সঙ্গে বলছে-বাবা গো আমাকে ছেড়ে দে। ‘আব্বা গো তোর আল্লাহ’র দোহাই ছাড়ি দে!
আশপাশের ২০-২৫ বছরের ছেলে গুলো হায়েনার মতো হাসছে আর বলছে-উল্টা, উল্টা, উল্টা! কারণ বিবস্ত্র ওই নারী নিজেকে বাঁচানোর জন্য ওপর হয়ে শুয়ে কাঁদছিল আর বলছিল- এরে আব্বা গো, তোগো আল্লাহ’র দোহাইরে।
এদিকে, ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত দেলোয়ার, বাদল, কালাম ও তাদের সহযোগীরা ভুক্তভোগী গৃহবধূর পরিবারকে অবরুদ্ধ করে রাখে। এতে ঘটনাটি ধামাচাপা থাকে। বর্তমানে ওই পরিবারের ঘরে তালা ঝুলছে।
স্থানীয়রা জানায়, রোববার বিকেলে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে এসে অভিযুক্ত আব্দুর রহিম নামে এক যুবককে আটক করেছে পুলিশ। আব্দুর রহিম উপজেলার একলাশপুর ইউপির পূর্ব একলাশপুর গ্রামের বাসিন্দা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ওই গৃহবধূকে গণধর্ষণ করা হয়েছে। ভয়ে ভুক্তভোগী গৃহবধূ বিষয়টি কাউকে জানাননি। তাই ঘটনার ৩২ দিন পার হলেও এ ঘটনায় থানায় কোনো অভিযোগ করতে পারেননি তিনি।
বেগমগঞ্জ থানার ওসি মো. হারুন উর রশীদ বলেন, এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। ভুক্তভোগী গৃহবধূর ঘরে তালা ঝুলছে। এছাড়া তার পরিবারের কারো সন্ধান পাওয়া যায়নি।
নোয়াখালীর এসপি মো. আলমগীর হোসেন জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে এবং ভুক্তভোগী পরিবারকে উদ্ধারে জেলা পুলিশের পাঁচটি ইউনিট মাঠে কাজ করছে।