জাকির হোসেন ইটাভরা গ্রামের মো. দাদন মিয়ার ছেলে।
স্থানীরা জানান, প্রায় সময় স্বামী-স্ত্রীর মাঝে ঝগড়া বিবাদ হতো। তিন দিন আগে নাছিমা আক্তার বাপের বাড়ি থেকে শ্বশুরবাড়িতে আসে। শনিবার সকালে নাছিমা আক্তারের মরদেহ চম্পক নগর তার শ্বশুরবাড়ির পাশের মরিচক্ষেতে দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে।
.png)
নিহতের বাবা মো. ওহাব আলী বলেন, আমার মেয়েকে তার স্বামী প্রায়ই নির্যাতন করতো। কয়েক দফা বিচারও হয়েছে। কয়েক দিন আগে তাকে মারধর করলে সে আমার বাড়িতে চলে আসে। জাকির হোসেন তাকে খুন করার হুমকি দেয়। পরে আমার মেয়ে বাদী হয়ে হোমনা থানায় জিডি করে। তিন দিন আগে ক্ষমা চেয়ে আমার মেয়েকে বাড়ি নিয়ে যায়। আমার মেয়েকে জাকির হত্যা করেছে। আমি এর বিচার চাই।
হোমনার মেঘনা সার্কেলের সিনিয়র এএসপি মো. ফজলুল করিম বলেন, মরদেহ দেখে মনে হচ্ছে তাকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।