গ্রেফতাররা হলেন- অভিষেক সেন শর্মা ও আদিত্য বড়ুয়া। তারা দুজন আপন খালাতো ভাই। এর মধ্যে অভিষেক নগরীর একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ও আদিত্য একটি বেসরকারি কলেজের শিক্ষার্থী।
জানা গেছে, ২৯ মার্চ রাতে ওই কলেজছাত্রীর ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে নিজ বাসায় পোশাক পাল্টানোর ভিডিও পাঠায় অভিষেক। এরপর ওই ছাত্রী ও তার মা অভিষেকের সঙ্গে যোগাযোগ করলে সে জানায়, এ ধরনের আরো ভিডিও বিভিন্নজনের ম্যাসেঞ্জারে পাঠিয়েছে। সেগুলো পর্নসাইটে আপলোডের হুমকি দিয়ে নয় হাজার টাকা দাবি করে অভিষেক। এজন্য তাদের একটি ‘নগদ’ অ্যাকাউন্টের নম্বরও দেয় সে।
.png)
টাকা না দেয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওই ছাত্রীকে তার মায়েরও একই ধরনের কয়েকটি ভিডিও ফেসবুক ম্যাসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপে পাঠায় অভিষেক। সর্বশেষ বুধবার বিষয়টি কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট ও পাঁচলাইশ থানা পুলিশকে জানান কলেজছাত্রী ও তার মা।
কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এডিসি আসিফ মহিউদ্দীন বলেন, অভিযোগ পেয়ে প্রথমে প্রবর্তক সংঘের পাহাড়ে অভিযান চালিয়ে নানার বাড়ি থেকে অভিষেককে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদে জানতে পারি, প্রবর্তক সংঘের পাহাড়ের প্রহরীর ছেলে তাকে ভিডিওগুলো দিয়েছে। পরে সে তার খালাতো ভাই আদিত্যকে দিয়েছে। আদিত্য ভিন্ন নামে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খুলে সেগুলো কয়েকজন বন্ধুর ম্যাসেঞ্জারে দেয় এবং পর্নসাইটে দেয়ার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে। এরপর অভিযান চালিয়ে নন্দনকানন এলাকা থেকে আদিত্যকে গ্রেফতার করা হয়। প্রহরীর ছেলেকেও গ্রেফতারের চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।
এডিসি আরো বলেন, অভিষেকের কাছ থেকে স্পর্শকাতর ভিডিও সংরক্ষিত ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি আইনে মামলা হয়েছে।