লকডাউনেও বসছে গরুর হাট, ক্রেতা-বিক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়
কুষ্টিয়ার মিরপুরে লঙ্কাকাণ্ড! লকডাউনের সময় গরুর হাট! কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলায় গরুর হাট ইজারাদারের বিরুদ্ধে লকডাউনের বিধিনিষেধ অমান্য করে গরুর হাট বসানোর অভিযোগ উঠেছে। সকাল থেকে হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু ক্রয়বিক্রয়ের জন্য মানুষ ভিড় জমায়।
কাতলামারীর বাসিন্দা এনামুল জানান, সকাল ১০টা থেকে ৪টা পর্যন্ত হাটের কার্যক্রম অব্যাহত থাকে। এর আগে গত রোববার দুপুর ১২টায় গরুর হাট বসার কথা মিরপুরে মাইকিং করে প্রচার চালান হাট ইজারাদার লোকজন।
কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসনের গণবিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট উল্লেখ থাকার পরও কীভাবে গরুর হাট বসে এবং এ ব্যাপারে স্থানীয় প্রশাসন কোন ব্যবস্থা না নেয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় অনেকেই।
.png)
সোমবার মিরপুর সদরপুর ইউনিয়নের কাতলামারীতে গরুর হাট বসে। এই হাট সোমবার সকাল ১০টায় হাট শুরু হয় এবং বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে।
মিরপুর সদরপুর ইউপির চেয়ারম্যান মো. ররিউল হক এ বিষয়ে বলেন, হাট বন্ধ হয়েছে কবে সেটাও আমি জানতাম না। আমি শারীরিক ভাবে অসুস্থ ছিলাম। সোমবার বিকেল তিনটার পর ইউনিয়ন পরিষদে যাওয়ার পর জানতে পারি হাট বসেছে।
তিনি আরো বলেন, হাট বসেছে এ ব্যাপারে কারো সঙ্গে কথা বলি নাই। এখানে হাট বসে এটা সবাই জানে।
মিরপুরের ইউএনও লিংকন বিশ্বাস বলেন, আমি জানতাম না, সকাল বেলা নিষেধ করে কুষ্টিয়া গিয়েছি। পরে এসে শুনতে পারি কাতলামারীতে গরুর হাট বসাইছে। জানার পর নিষেধ করলাম হাট বন্ধ করে দিতে। বিকেল ৪টার দিকে এসিল্যান্ড রাকিবুল হাসানকে হাটে পাঠানো হয়েছে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মাইকিং এর বিষয়টি আমার জানা নেই। কেউ আমাকে জানায় নাই। এটাতো করার সুযোগ নাই। কারণ পরিপত্রের মাধ্যমে জানানো হয়েছে হাট বন্ধ। তাহলে মাইকিং করবে কেন।