ভিডিও ধারনকারী প্রতিবেশী খাদিজা বেগম জানান, বিয়ের পর থেকেই ওই গ্রামের হেলাল শেখের ছেলে মুরাদ শেখ তার স্ত্রীকে নির্যাতন করে আসছে। ওইদিন সকালে বৃষ্টির মধ্যে ঘরের বাইরে টেনে এনে গৃহবধূ হালিমাকে নির্মম ভাবে কিল-ঘুষি আর লাথি মারতে শুরু করে স্বামী মুরাদ। এ সময় তিনি মোবাইল ফোনে সেই ভিডিও ধারণ করেন। মারধর চলাকালে প্রতিবেশী অনেকেই গৃহবধূকে বাঁচাতে এগিয়ে যায়। তবে কারো বাধাই কাজে আসেনি। উল্টো চাপাতি নিয়ে প্রতিবেশীদের তেড়ে আসে স্বামী মুরাদ।
প্রতিবেশী খাদিজা আরো জানান, নির্মম নির্যাতনের ভিডিও তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছেড়ে দিলে আলোড়ন সৃষ্টি হয়। নির্যাতনের একপর্যায়ে মালখানগর ইউনিয়ন পরিষদের স্থানীয় সদস্য আবু সাঈদ ঘটনাস্থলে পৌঁছে গৃহবধূকে উদ্ধার করেন। পরে তিনি ৯৯৯-এ ফোন করেন।
.png)
ইউপি সদস্য মালখানগর ইউপির সদস্য মো. আবু সাঈদ বলেন, আমি ঘটনা শোনতে পেরে ঘটনা স্থালে আসি। এসে দেখি মুরাদ হালিমার পেটে, পিঠে, মুখে কিল ঘুষি মারছে। আমি তাকে উদ্ধার করি এবং স্বামী মুরাদকে আটকে রেখে থানায় খবর দেই। হালিমাকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে সিরাজদীখান থানার ওসি মোহাম্মদ বোরহান উদ্দিন জানান, স্বামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন গৃহবধূ হালিমা বেগম। বিয়ের পর থেকেই স্বামী তার স্ত্রীকে মারধর করতো বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।