ঢাকা,  মঙ্গলবার   ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৩ ভাদ্র ১৪৩৩

Advertisement
[ দেশজুড়ে ]

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেড়েছে যান চলাচল

কুমিল্লা প্রতিনিধি
প্রকাশিত: ১৬:৫৩, ৮ আগস্ট ২০২১
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেড়েছে যান চলাচল
ছবি: ডেইলি বাংলাদেশ

করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার গত ২৩ জুলাই থেকে দেশে ‘কঠোর লকডাউন’ ঘোষণা করে দ্বিতীয় ধাপে ৬ আগস্ট থেকে আরো পাঁচদিন বর্ধিত করে। টানা ১৯ দিনের ‘কঠোর লকডাউন’ ক্রমশই শিথিল হয়ে আসছে।

করোনা ভাইরাসের ভারতীয় ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত গোটা দেশ। এই সময়ে প্রশাসনের শিথিলতায় লকডাউনের মধ্যেই সব কিছু স্বাভাবিক হওয়া শুরু হয়েছে।

সারাদেশে ‘কঠোর লকডাউন’ চলমান অবস্থায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বেড়েছে যান চলাচল। স্বাভাবিক সময়ের মতো খুলছে দোকান-পাট। ‘কঠোর লকডাউন’ বাস্তবায়নে প্রশাসনের তেমন তৎপরতা না থাকায় স্বাভাবিক নিয়মে চলছে মানুষের যাতায়াত, ব্যবসা-বাণিজ্য। অবস্থাদৃষ্টে দেখা যাচ্ছে যেন ‘কঠোর লকডাউন’ ভেঙে পড়ছে। 

Advertisement

রোববার কুমিল্লার চান্দিনা উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজার ঘুরে দেখা গেছে, প্রতিটি হাট-বাজার, শপিং মলের কোথায় এক সাঁটার আবার কোথাও পুরো দোকান খুলেই ব্যবসা পরিচালনা করছেন ব্যবসায়ীরা। বেলা ৩টা পর্যন্ত মুদি ও কাঁচাবাজার চলার কথা থাকলেও তা চলছে স্বাভাবিক নিয়মে রাত অবধি। 

ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চান্দিনা, মাধাইয়া, নিমসার ও ময়নামতি সেনা নিবাস এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, মহাসড়কের হরদমে চলছে সব পরিবহন। মাঝে মধ্যে চলছে যাত্রীবাহী বাসও। কয়েকটি স্থানে পুলিশের চেকপোস্ট থাকলেও তা উপেক্ষা করেই চলছে ওইসব যানবাহন। 

গত ২৩ জুলাই থেকে এক সপ্তাহ ভ্রাম্যমাণ আদালত ও পুলিশের তৎপরতায় চান্দিনা উপজেলাসহ মহাসড়কের কুমিল্লা অংশে বেশ কঠোর ভাবেই পালিত হচ্ছিল লকডাউন। দ্বিতীয় সপ্তাহের শুরু থেকে প্রশাসনের সঙ্গে ‘চোর পুলিশ’ খেলায় মত্ত হয়ে উঠে ব্যবসায়ী ও গাড়ি চালকরা। দ্বিতীয় সপ্তাহের শেষ দিকে প্রশাসনের নজরদারী কমতে থাকায় স্বচল হতে শুরু করে হাট-বাজার, দোকান-পাট, সড়ক-মহাসড়ক। 

আর দ্বিতীয় ধাপের বর্ধিত দিনের প্রথম দিন শুক্রবার ‘লকডাউন’ এর তেমন অস্তিত্ব খুঁজে পাওয়া যায়নি। মহাসড়কে যাত্রীবাহী সিএনজি অটোরিকশা, মাইক্রো, মারুতি, মিনিবাস এর সাথে মাঝে মধ্যে চলছে যাত্রীবাহী বাস। গত ২৩ জুলাই থেকে ৮ আগস্ট পর্যন্ত সতেরো দিনে চান্দিনা উপজেলা প্রশাসন ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ১০০টি মামলায় ৬৩ হাজার ৩৫০টাকা জরিমানা করে।

এ ব্যাপারে চান্দিনার ইউএনও আশরাফুন নাহার জানান, আমরা একের পর এক জরিমানা করে যাচ্ছি। ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কয়েক দফায় বৈঠক করে বাজার নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত আছে। 

হাইওয়ে পুলিশ ইলিয়টগঞ্জ ফাঁড়ির ইন-চার্জ ইন্সপেক্টর জিয়াউল হক চৌধুরী জানান, মহাসড়কের যান চলাচল বৃদ্ধি পেয়েছে। মানুষ রোগী, বিদেশগামী, টিকা গ্রহণসহ বিভিন্ন অযুহাতে বের হচ্ছেন। দ্রুতগামী গাড়িগুলো চেকপোস্টের সিগনালও মানতে রাজি না। তারপরও আমরা যেটুকু পারছি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করছি।

ময়নামতি ক্রসিং থানার ওসি আনিছুর রহমান জানান, আমাদের থানার সামনে চেকপোস্ট আছে। বাস, মাইক্রো আটক করে মামলা দিচ্ছি।

ডেইলি-বাংলাদেশ/ডেইলি-বাংলাদেশ ডটকম
লিংক সফলভাবে কপি হয়েছে!