পুলিশ ও খাদ্য গোডাউন কর্মকর্তারা জানান, বেলালুজ্জামান বেলু সদর উপজেলার মেসার্স রহমান চালকল, মেসার্স তৈয়ব চালকল এবং মেসার্স মান্নান চালকল নামে তিনজন মিলারের নাম করে সিরাজগঞ্জের কামারখন্দ এলাকার একটি গোডাউন থেকে একটি ট্রাকে ৫৯১বস্তা চাল নিয়ে খাদ্য গোডাউনে আসেন।
দুপুরে ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গোডাউন কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিনের তত্ত্বাবধায়নে শ্রমিকরা গোডাউনে ১৭৫বস্তা পচা ও নিম্নমানের চাল প্রবেশ করায়। এসময় বিষয়টি প্রশাসন অবগত করে। পরে নাটোর সদর ইউএনও আফরোজা খাতুন গিয়ে পচা ও নিম্নমানের চাল জব্দ করে।
.png)
এসময় নাটোর সদর থানার ওসি তদন্ত আব্দুল মতিন, জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক রবীন্দ্র লাল চাকমাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
খাদ্য গোডাউনের কিছু অসাধু কর্মকর্তার যোগসাজশে এসব পচা ও নিম্নমানের চাল গোডাউনে প্রবেশ করানোর অভিযোগ দীর্ঘ দিনের। সঠিক তথ্য প্রমাণ না থাকায় চক্রটিকে ধরতে পারছিল না প্রশাসনের লোকজন।
নাটোর সদর ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গোডাউন কর্মকর্তা মফিজ উদ্দিন বলেন, আমরা সব বস্তা চেক করার পর গোডাউনে প্রবেশ করায়। আজও সে কাজটিই করছিলাম। তাহলে কিভাবে ১৭৫ বস্তা পচা ও নিম্নমানের চাল গোডাউনে ঢুকলো সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের সদুত্তর তিনি দিতে পারেননি।
নাটোর সদর ইউএনও আফরোজা খাতুন বলেন, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পচা এবং নিম্নমানের চাল গোডাউনে প্রবেশ করানোর সত্যতা মিলেছে। তদন্ত সাপেক্ষে খাদ্য গোডাউন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ীরা জড়িত থাকলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নাটোর সদর থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল মতিন বলেন, গোডাউনে ১৭৫বস্তা চাল প্রবেশ করানো হয়েছে। সেগুলোর বিষয়ে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নিতে পারবো না। তবে ট্রাকে থাকা বাকি চাল এবং ট্রাক আটক দেখানো হয়েছে। সেগুলো জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের জিম্মায় দেওয়া হয়েছে। তবে পুরো ঘটনা নিয়ে থানায় একটি জিডি করা হবে। বাকি বিষয়গুলো ডিসি এবং ইউএনও মহোদয় পরবর্তী ব্যবস্থা নিবে।
তবে চাল ব্যবসায়ী বেলালুজ্জামান বেলুকে একাধিকবার ফোন দিয়েও তাকে পাওয়া যায়নি।