সোমবার দিবাগত রাত ২টার দিকে আমতলীর ব্রিকফিল্ড সংলগ্ন কেওয়াবুনিয়া নামক স্থানে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন, চিনা সাংহাই ইলেকট্রিক পাওয়ার কন্সট্রাকশন কোম্পানির সেফটি অফিসার লিওয়েন তাও, প্রকৌশলী লুজিকলং ও দোভাষী প্রকৌশলী মো. ফখরুল হাসান। দোভাষী প্রকৌশলী মো. ফখরুল হাসানের বাড়ি ঢাকার গুলশানে। তার বাবার নাম মো. আনিসুর রহমান। আহত গাড়িচালক মো. মুসা মৃধার বাড়ি পটুয়াখালী সদর উপজেলার খলিশাখালী গ্রামে। তার বাবার নাম আব্দুস সালাম মৃধা।
.png)
আমতলী থানা পুলিশ জানায়, নিহতরা তালতলী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে কাজ করেন। রোববার সন্ধ্যায় ঢাকা থেকে একটি ভাড়ায় চালিত মাইক্রোবাস যোগে চালকসহ মোট চারজন তালতলী তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্রে যাচ্ছিলেন। আমতলী-পটুয়াখালী মহাসড়কের ব্রিকফিল্ড সংলগ্ন কেওয়াবুনিয়া নামক স্থানে মাইক্রোবাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে খাদে পড়ে যায়।
এতে চীনা নাগরিক ও তাপবিদ্যুত কেন্দ্রের সেফটি অফিসার লিওয়েন তাও, প্রকৌশলী লুজিকলং, দোভাষী প্রকৌশলী মো. ফখরুল হাসান ঘটনাস্থলে নিহত হন। খবর পেয়ে পুলিশ ওই রাতেই মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। আহত গাড়িচালক মো. মুছা মৃধা করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় তাকে আমতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের করোনা ইউনিটে ভর্তি করা হয়েছে।
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন তালতলী আইসোটেক তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রের দোভাষী তন্ময়।
আমতলী থানার ওসি মো. শাহ আলম হাওলাদার বলেন, খবর পেয়ে তিনজনের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় আনা হয়। এ ঘটনায় থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে। আইসোটেক তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ ও চায়না দূতাবাস নিহত চীনা দুই নাগরিকের মরদেহ দেশে ফিরিয়ে নেয়ার সব ব্যবস্থা করবে।