সোমবার দুপুর ২টার দিকে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর সেতুর নিচ থেকে জেসমিনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। শনিবার থেকে ভাসতে ভাসতে মুক্তারপুরে যায় শিশুটি।
মৃত জেসমিন সিলেটের শফিকুলের মেয়ে। তার মা রুপায়নের মরদেহ দুপুরে উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় শফিকুলের স্ত্রী রুপায়ন, মেয়ে জেসমিন, ছেলে আরমান ও রুপায়নের বোন সোয়ালা মারা যান।
.png)
সাভার নৌ-থানা পুলিশ জানায়, দুপুরে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর ব্রিজের নিচ থেকে স্থানীয়দের খবরের ভিত্তিতে শিশু জেসমিনের মরদেহ উদ্ধার করেন ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা। জেসমিনের মরদেহ সেখানেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।
আমিনবাজার নৌ-থানার পরিদর্শক আলমগীর শেখ বলেন, সর্বশেষ নিখোঁজ জেসমিনের মরদেহ মুন্সিগঞ্জ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস। আমরা তার পরিবারের সদস্যদের খবর দিয়েছি। সেখান থেকে মরদেহ নেয়ার জন্য বলা হয়েছে। এ নিয়ে নিখোঁজ মোট সাতজনেরই মরদেহ উদ্ধার করা হলো।
শনিবার ভোরে সাভারের আমিনবাজারে তুরাগ নদীতে বালুবাহী বাল্কহেডের ধাক্কায় ১৮ যাত্রীসহ একটি ট্রলার ডুবে যায়। এ সময় সাতজন নিখোঁজ হলেও পাঁচজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। বাকি দুজন মা রুপায়নের মরদেহ রাজধানীর বসিলা ও মেয়ে জেসমিনের মরদেহ মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর ব্রিজের নিচ থেকে সোমবার দুপুরে উদ্ধার করা হয়।