নবম শ্রেণির ছাত্রীর সঙ্গে বড়ধূল ইউনিয়নের চরববংখড়ি গ্রামের ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীর বিয়ের আয়োজন চলছিল। ভ্রাম্যমাণ আদালত এ বাল্যবিয়ে বন্ধ করে।
কনের বাবাকে বাল্যবিয়ের কুফল সম্পর্কে বুঝালে তিনি তার ভুল বুঝতে পারেন ও তার মেয়েকে প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে মুচলেকা দেন।
.png)
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. ইলিয়াস হাসান শেখ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।