রোববার বেলা ১১টার দিকে র্যাব-৬ এর সদর দফতরে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে র্যাবের এসপি আল আসাদ মো. মাহফুজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
তিনি বলেন, বাগেরহাটের রামপালে একটি সংঘবদ্ধ প্রতারক চক্র জিনের বাদশার সন্ধান মেলে। যারা গভীর রাতে জিনের বাদশা ও পীর দরবেশ সেজে বিভিন্ন মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে বিকাশের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়। হানিফ ঢালী গত এক বছর ধরে জিনের বাদশা সেজে মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছে। গভীর রাতে ফোন দিয়ে জিনের বাদশা বলে মানুষকে আশা দিতেন তিনি। গত এক বছরে চারজন মানুষকে সর্বশান্ত করছে। সর্বশেষ তিন দিন আগে একজনের সঙ্গে প্রতারণা করতে গিয়ে র্যাবের কাছে আটক হন তিনি।
.png)
শনিবার রাতে ভুক্তভোগী আবারো হানিফ ঢালীর কাছে ফোন করে সাহায্য চায়। এ সময় তাকে সাহায্য করতে রাজি হয় প্রতারক। এরপর র্যাব উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাকে রামপাল উপজেলা থেকে গ্রেফতার করতে সক্ষম হয়। তার কাছ থেকে ১০ টি মোবাইল ফোনের সিম ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করে র্যাব।
র্যাব-৬ ওই গ্রুপটির প্রতারণামূলক কার্যক্রমের ওপর নজরদারী বৃদ্ধি করে তৎপরতা অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় র্যাব শনিবার রাত সাড়ে ৮টায় রামপাল থানাধীন ফয়লাহাট থেকে কথিত জিনের বাদশা আসামি হানিফ ঢালীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছ থেকে প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত ১০টি সীমকার্ডসহ ১টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হেয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হানিফ ঢালী তথাকথিত জিনের বাদশা ও পীর দরবেশ সেজে প্রতারণা করে বিভিন্ন মানুষকে সর্বশান্ত করার বিষয়টি স্বীকার করে। ভিকটিমসহ ভিকটিমের পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের ক্ষয়ক্ষতি হবে মর্মে ভিকটিমের কাছ থেকে প্রতারক হানিফ ঢালী বিভিন্ন সময় একাধিক বিকাশ নম্বরের মাধ্যমে প্রতারণা করে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নেয়।
র্যাব ৬ এর একটি আভিযানিক দল এ প্রতারক চক্রের অন্যান্য সদস্যদের আটকের জন্য অভিযান অব্যহত রেখেছে। গ্রেফতাকৃত আসামিকে রামপাল থানায় হস্তান্তর কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।