অপরদিকে রাজধানী থেকে ময়মনসিংহ বা গাজীপুরগামী পরিবহন আব্দুল্লাহপুর থেকে টঙ্গী-আশুলিয়া সড়ক হয়ে কামার পাড়া বিশ্বইজতেমা ব্রিজ দিয়ে টঙ্গীতে প্রবেশ করছে। বিকল্প এ ব্যবস্থা চালুর পরও যানজট থেকে মুক্তি মিলছে না নগরবাসীর।
মহাসড়কের এ যাজটের প্রভাবে গাজীপুর মহানগরের প্রায় প্রতিটি অভ্যন্তরীণ সড়কে যানবাহনের চাপ বাড়ছে। বিকল্প হিসেবে নগরীর বিভিন্ন শাখা সড়ক ব্যবহারের কারণে নগরীর সর্বত্রই যানজট সৃষ্টি হচ্ছে। তদুপরি অভ্যন্তরীণ সড়কগুলোতেও সংস্কার কাজ চলমান থাকায় নগরবাসীর ভোগান্তি চরমে উঠেছে।
.png)
ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের বিমানবন্দর থেকে গাজীপুরের জয়দেবপুর পর্যন্ত বাস র্যাপিড ট্রানজিট-বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় প্রতিদিন চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন এ রুটে চলাচলকারী হাজার হাজার যাত্রী। তুরাগ নদে বিআরটি প্রকল্পভুক্ত আট লেনের টঙ্গী ব্রিজ নির্মাণ কাজ চলমান থাকায় এবং ঢাকামুখী পুরনো ব্রিজটি ফুটো হয়ে যাওয়ায় গত বৃহস্পতিবার থেকে পাশেই ভেইজি ব্রিজ দিয়ে রাজধানীতে যানবাহন প্রবেশ করছে।
অপরদিকে রাজধানী থেকে বিকল্প পথ হিসেবে টঙ্গী-আশুলিয়া বাইপাস সড়ক হয়ে কামার পাড়া ব্রিজ অতিক্রম করে ময়মনসিংহ বা গাজীপুরমুখী পরিবহন চলাচল করছে। এতে মহাসড়কটিতে যানজট আরো বেড়েছে। শুক্রবার পর্যন্ত ফুটো হয়ে যাওয়া টঙ্গী ব্রিজের সংস্কার কাজ শুরু হয়নি। সেতুর প্রবেশমুখে বাঁশের বেরিকেড দিয়ে পরিবহন চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। শত শত মানুষ হেঁটে ব্রিজ পার হচ্ছেন। রাজধানীমুখী পরিবহন ধীর গতিতে ভেইলি ব্রিজ পার হওয়ায় টঙ্গীতে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়েছে।
এ ব্যাপারে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির বলেন, যান চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আমরা সর্বাত্মক চেষ্টা করছি। বিকল্প ব্যবস্থা চালুর ফলে ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যানজট অনেকটা কমেছে। টঙ্গী ব্রিজ চালু হলে যান চলাচল আবার স্বাভাবিক হয়ে আসবে।