জানা গেছে, ওই শিশুটিকে পুকুর থেকে উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। পরে লাশ তার বাবার বাড়ি নীলগঞ্জ ইউপির কুমিরমারা গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।
তবে শিশুটির নানা খলিল হাওলাদারের অভিযোগ মরিয়মকে গলাটিপে শ্বাসরোধে হত্যা করে পুকুরে ফেলে দেওয়া হয়েছে। কারণ হিসেবে জানান, লাশের গলাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে রক্ত জমাট বাধা আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।
.png)
মৃতের স্বজন ও স্থানীয়রা জানান, মরিয়মের মায়ের সঙ্গে তার বাবা আবু জাফরের বিচ্ছেদের পর দাদা বাড়িতেই থাকতো শিশুটি। ঘটনার চার দিন আগে সৎ মা শারমিন মরিয়মকে তার বাবার বাড়িতে বেড়াতে নিয়ে যায়। পরে শনিবার দুপুরে সেখানে শিশুটি পুকুরে ডুবে যাওয়ার খবর পাওয়া যায়।
এদিকে মরিয়মের সৎ মা শারমিন জানান, দুপুরে তার আগের স্বামীর ছেলে জুনায়েদসহ প্রতিবেশী এক মেয়ে শিশুর সঙ্গে খেলা করছিল মরিয়ম। তবে কীভাবে পুকুরে পরে তার মৃত্যু হয়েছে তিনি জানেন না।
মরিয়মের বাবা আবু জাফরের অভিযোগ, আমার মেয়েকে মেরে ফেলা হয়েছে। তবে তার স্ত্রী এবং শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ নেই।
কলাপাড়া থানার ওসি (তদন্ত) আসাদুর রহমান বলেন, মূলত ঘটনানাটি মহিপুরের। আমরা শেষ বিকেলে খবর পেয়ে নীলগঞ্জে মৃতের বাবার বাড়িতে এসেছি। তবে মৃত্যুর রহস্য উদঘাটনে আমরা চেষ্টা চালাচ্ছি।