জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, জেলার কৃষি কার্ডধারী কৃষকদের কাছ থেকে ২৭ টাকা কেজি দরে ৮ হাজার ১৫৫ মেট্রিক টন ধান এবং ৪০ টাকা কেজি দরে তালিকাভুক্ত মিলারদের কাছ থেকে ১১ হাজার ২৪৪ মেট্রিক টন চাল কিনবে সরকার।
এর মধ্যে যশোর সদর উপজেলায় ১ হাজার ৭০৮ মেট্রিক টন ধান ও ২ হাজার ৭২৬ মেট্রিক টন চাল, শার্শা উপজেলায় ১ হাজার ১৮০ মেট্রিক টন ধান ও ২ হাজার ৬১১ মেট্রিক টন চাল, অভয়নগর উপজেলায় ৪৫৩ মেট্রিক টন ধান ও ৩ হাজার ৩৭ মেট্রিক টন চাল, ঝিকরগাছা উপজেলায় ৭৯৯ মেট্রিক টন ধান ও ৭০১ মেট্রিক টন চাল, কেশবপুর উপজেলায় ৫৬৯ মেট্রিক টন ধান ও ৪৭৭ মেট্রিক টন চাল, বাঘারপাড়া উপজেলায় ১ হাজার ৬১ মেট্রিক টন ধান ও ৪১৭ মেট্রিক টন চাল, মনিরামপুর উপজেলায় ১ হাজার ৪৪৫ মেট্রিক টন ধান ও ৪৮২ মেট্রিক টন চাল এবং চৌগাছা উপজেলায় ৯৪০ মেট্রিক টন ধান ও ৭৯৩ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।
.png)
জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মো. আব্দুর রহমান বলেন, সরকারি নিয়ম অনুযায়ী ধান-চাল সংগ্রহ করা হবে। গত ৭ নভেম্বর থেকে এ জেলায় ধান সংগ্রহ অভিযান শুরু হয়েছে। জেলায় ৩১৩ জন তালিকাভুক্ত মিলার রয়েছেন। তালিকাভুক্ত মিলারদের সঙ্গে চলতি মাসের ২৫ তারিখ পর্যন্ত চুক্তি শেষে চাল সংগ্রহ শুরু হবে। এ সংগ্রহ অভিযান চলবে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।