মৃত স্বপন কুমার রায় ওই গ্রামের সুভাষ কুমার রায়ের ছেলে। সে নেকমরদ কারিগরি কলেজের এসএসসি পরীক্ষার্থী ছিল।
স্বপনের বাবা সুভাষ কুমার রায় জানান, ২১ নভেম্বর স্বপনের পরীক্ষা ছিল। কিন্তু ভুল করে পরীক্ষার রুটিনে পরীক্ষা নেই দেখে ওই দিন সে পরীক্ষা দিতে যায়নি। বিকেলে সহপাঠীর কাছে জানতে পারে তার পরীক্ষা ছিল। এ কথা শুনে স্বপন মানসিকভাবে ভেঙে পড়ে। রাতে সে খেয়ে নিজ ঘরে শুয়ে পড়ে। আনুমানিক রাত ১১টার দিকে সে চিৎকার করে এবং আমরা জানতে পারি সে ইঁদুর মারা গ্যাস ট্যাবলেট খেয়েছে।
.png)
স্বপনকে চিকিৎসার জন্য প্রথমে নেকমরদ ও রাণীশংকৈল স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তাকে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার সময় সোমবার দুপুরে মারা যায়।
স্বপনের বন্ধু সোহান বলেন, আমরা পরীক্ষা দিতে গিয়ে দেখি স্বপন পরীক্ষা দিতে আসেনি। আমরা ফোনে তার সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা করি। কিন্তু তাকে ফোনে পাওয়া যায়নি। পরে জানতে পারি সে সকালে তার বাবার সঙ্গে মাঠে ধান কাটতে গেছে।
রাণীশংকৈল থানার ওসি (তদন্ত) আব্দুল লতিফ শেখ বলেন, পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় লাশ সৎকার করার জন্য এডিএম বরাবর একটি লিখিত আবেদন করেছেন। এ নিয়ে থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়ের করা হয়েছে।