অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সুমন দেব (প্রশাসন ও অপরাধ) জানান, নিহতের পরিবারের লোকজন ৬নং ওয়ার্ডের নলবুলিয়া কান্দি গ্রামের একটি বাগান থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় আব্দুল সাত্তারের মরদেহ উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়া হয়।
নিহত আব্দুল সাত্তার ওই গ্রামের সুরুজ সরকার ছেলে।
.png)
তিনি আরো জানান, আগামী ২৮ নভেম্বর ইউপি নির্বাচন থাকায় আত্মহত্যার ঘটনাটি অন্যক্ষেত্রে প্রবাহিত করার চেষ্টা করছে। কিন্তু বিষয়টি অন্যক্ষেত্রে প্রবাহিত করার সুযোগ নেই।
মুন্সীগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালের ডিউটি ডাক্তার এম এ কালাম জানান, হাসপাতালে আসার আগেই তার মৃত্যু হয়েছে। ফাঁস দিয়ে ঝুলে থাকার চিহ্ন দেখা গেছে। তবে শরীরে কোনো ধরনের আঘাতের চিহ্ন ছিলো না। ময়নাতদন্ত শেষে বিস্তারিত বলা যাবে।
এ বিষয়ে নিহতের স্ত্রী শিউলী বেগম জানান, আসন্ন ইউনিয়ন নির্বাচনে আব্দুল সাত্তার স্থানীয় মেম্বারপ্রার্থী ইমরানকে সমর্থন করে আসছিলো। তবে বেশ কিছুদিন ধরে তার প্রতিপক্ষ মেম্বারপ্রার্থীরা তাকে তাদের দলে কাজ করার জন্য চাপ দিচ্ছিল। এমতাবস্থায় গতকাল সন্ধ্যায় কারো ফোন পেয়ে বাসা থেকে বের হন। এরপর তাকে সারারাত খোঁজাখুঁজি করা হলে ভোরে একটি পরিত্যক্ত বাগান থেকে ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
তিনি আরো জানান, আমার স্বামীকে হত্যা করে ঝুলিয়ে রাখা হয়েছিলো।
এ ব্যাপারে আপেল প্রতীকের মেম্বার প্রার্থী বজলুর রহমান জানান, আমরাও চাই উদঘাটন হোক। হত্যা নাকি আত্মহত্যা। তিনি কার সঙ্গে চলেন, তাকে কে ফোন করে নিয়ে গেছেন তাদেরকে ধরতে পারলেই বোঝা যাবে আসল রহস্য।