আটককৃতরা হলো- বরগুনার তালতলী উপজেলার বাসিন্দা ও জলদস্যু বাহিনীর মূল সমন্বয়কারী খলিল জমাদ্দার, পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মাহাতাব প্যাদা, জামাল আকন্দ, মাছুম ওরফে মানছুর খলিফা ও গলাচিপা উপজেলার মিনাজ খান।
শুক্রবার দুপুরে বরিশাল নগরীর রূপাতলীতে র্যাব-৮ এর সদর দফতরে এক সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি নিশ্চিত করে র্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।
.png)
তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে র্যাব-৮ এর সদস্যরা শুক্রবার সকালে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলার একটি পরিত্যক্ত বাড়ি চারদিক থেকে ঘিরে ফেলে। ঐ সময় র্যাব ও জলদস্যু বাহিনীর মধ্যে গোলাগুলি হয়। এক পর্যায়ে দস্যুদলের সদস্যরা পিছু হটে পালানোর চেষ্টা করলে তাদের মূল সমন্বয়ক খলিল জমাদ্দারসহ পাঁচজনকে আটক করে র্যাব। ঐ সময় ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন অস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার করা হয়।
র্যাব কর্মকর্তা মঈন আরো জানান, গত ২০ নভেম্বর সকাল থেকে রাত ১০টার মধ্যে বঙ্গোপসাগরের ৩০-৩৫ কিলোমিটারের অভ্যন্তরে পাথরঘাটা, বরগুনা, পটুয়াখালীর বলেশ্বর এবং পায়রা নদীর মোহনা এলাকায় পর্যায়ক্রমে সাতটি মাছ ধরার নৌকায় হামলা চালিয়ে সাতজনকে অপহরণ করে জলদস্যুরা। পরবর্তীতে তাদের জিম্মি করে পরিবারের সদস্যদের ভয়ভীতি দেখিয়ে মুক্তিপণ আদায় করে। গত ২৩ নভেম্বর র্যাব অভিযান চালিয়ে অপহৃতদের উদ্ধার করে।
তিনি আরো জানান, গত ৩০ নভেম্বর ডাকাতির মুক্তিপণ সংগ্রহকারী ইলিয়াস হোসেন মৃধাকে মুক্তিপণের পাঁচ লাখ টাকাসহ নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ থেকে আটক করা হয়। পরবর্তীতে তার দেওয়া তথ্যে পটুয়াখালীর গলাচিপা উপজেলায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজন জলদস্যুকে আটক করা হয়।