জানা যায়, গত ২৮ নভেম্বর তৃতীয় ধাপে উপজেলার ১২টি ইউপি নির্বাচন সম্পন্ন হওয়ার পর থেকে পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান, সদস্য ও অন্যান্য দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা পরিষদে যাতায়াত বন্ধ রেখেছেন। শুধুমাত্র ইউপি সচিব মাঝে মধ্যে আসা যাওয়া করতেন। ফলে অন্তত এক সপ্তাহ ধরে পরিষদ অনেকটা জনশূন্য অবস্থায় পড়ে আছে।

.png)
শনিবার সকালে এক প্রতিবেশি পরিষদ কমপ্লেক্সের কয়েকটি কক্ষের তালা কাটা দেখে সাবেক চেয়ারম্যান মিজানুর রহমানকে মোবাইল ফোনে খবর দেন। খবর পেয়ে চেয়ারম্যান কার্যালয়ে গিয়ে ইউপি সচিব, সদস্যদের কক্ষ, ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা, প্রাণী সম্পদ বিভাগের কক্ষসহ ৬টি কক্ষের তালা খোলা অবস্থায় দেখতে পান।

এ সময় তালা ঝুলানোর জন্য লাগানো ৬টি কক্ষের প্রত্যেকটি দরজার হেজবুনের রিং এর মতো অংশ কাটা অবস্থায় পাওয়া যায়। পরে তিনি তাৎক্ষণিক ইউএনও, ওসি ও গণমাধ্যমকর্মীদের বিষয়টি অবহিত করেন। খবর পেয়ে পুলিশ ও গণমাধ্যমকর্মীসহ ইউপির সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি ও এলাকাবাসী ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এ সময় ডিজিটাল সেন্টারে থাকা একটি স্ক্যানার, একটি প্রিন্টার, দুইটি কম্পিউটার সেট এবং সচিবের কক্ষ থেকে কিছু কাগজপত্র চুরি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।
এছাড়াও ডিজিটাল সেন্টার ও সচিবের কক্ষে থাকা তিনটি স্টিলের আলমারি খোলা অবস্থায় পাওয়া যায়। যেখান থেকে নথিপত্র চুরি হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান জানান, গত পাঁচ বছরে কোনোদিন এমন ঘটনা ঘটেনি। নির্বাচন শেষ হলো, আমি হেরে গেলাম। আর তখনই এমন চুরির ঘটনার পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এ বিষয়ে অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হবে।
নালিতাবাড়ী থানার ওসি বছির আহমেদ বাদল জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। এটি প্রাথমিকভাবে চুরি বলেই মনে হচ্ছে। তদন্তসাপেক্ষে বিস্তারিত জানা যাবে।