ভেদরগঞ্জ থানা ও মামলা সূত্রে জানা যায়, ঐ নারী গত ২৯ নভেম্বর বাদী হয়ে আদালতে যৌতুক মামলা করেন। পরে ৫ ডিসেম্বর আদালতের নির্দেশে ভেদরগঞ্জ থানায় মামলাটি নথিভুক্ত হয়। এছাড়া ৩০ নভেম্বর নারী নির্যাতনের মামলায় আদালত থেকে ইমরানের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হয়েছে। অভিযুক্ত ইমরান উপজেলার রামভদ্রপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ কার্তিকপুর গ্রামের শাহজাহান খানের ছেলে ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা ছাত্রদলের আহ্বায়ক।
ভেদরগঞ্জ থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, নারী নির্যাতন মামলায় ইমরানের বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট হয়েছে। আর যৌতুক মামলাও হয়েছে। মামলার পর ইমরান পালিয়ে বেড়াচ্ছেন। তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
.png)
ভুক্তভোগী নারী জানিয়েছেন, ইসলামের রীতি অনুযায়ী কাজির মাধ্যমে গোপনে ইমরান আমাকে বিয়ে করেছে। বিয়ের পর তার ভাইকে ইতালি পাঠাবে বলে আমার থেকে দুই ধাপে পাঁচ লাখ টাকা যৌতুক নিয়েছে। তার কথায় এক বছর বিয়ের বিষয়টি গোপন রেখেছিলাম। স্ত্রী হিসেবে তার বাড়িতে থাকতে চাওয়ার পর সে আমাকে অস্বীকার করেছে। শুধু তাই নয় মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন করতো আমাকে। এ বিষয়ে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও ইমরানের এলাকার নেতাদের বিষয়টি জানালে তারা কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। তাই দুটি মামলা করেছি।