স্থানীয়রা জানান, বুধবার সন্ধ্যায় মুন্সিকান্দি জোড়া ব্রিজ এলাকায় লিটন কবিরাজের ওপর হামলা চালায় দুর্বৃত্তরা। এ সময় দুর্বৃত্তরা লিটনের বাম হাতের কবজি সম্পন্ন বিচ্ছিন্ন করে দেয়। এছাড়া ডান হাত, ডান ও বাম পায়ে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্বার করে জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে চিকিৎসক তাকে ডাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
এ ঘটনায় জাজিরা পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল হক কবিরাজের ওপর দোষ দিচ্ছেন লিটনের স্ত্রী জোসনা বেগম।
.png)
তিনি বলেন, আব্দুল হক কবিরাজ লোকজন নিয়ে আমার স্বামীকে কুপিয়ে বাম হাত বিচ্ছিন্ন করেছেন। সারা শরীর কুপিয়ে জখম করেছেন। আমার স্বামী এখন মৃত্যুশয্যায়। আমি এ হামলার বিচার চাই।
এদিকে আব্দুল হক কবিরাজের পক্ষে ফাহিমা আক্তার বলেন, লিটনের বিরুদ্ধে জাজিরা থানা ও বিভিন্ন থানায় নারী নির্যাতন, বিস্ফোরকসহ ১১টি মামলা রয়েছে। এর আগে গত ১২ আগস্ট দুপুরে জাজিরা ডিগ্রি কলেজ সংলগ্ন সড়কে আমার স্বামী উপজেলা মৎস্যজীবী লীগের সাধারণ সম্পাদক তোফাজ্জল সাকিদারকে কুপিয়ে দুই পা ভেঙে দেয় ও মাথায় কুপিয়ে জখম করেন। আমার স্বামী এখনো অসুস্থ। লিটন কবিরাজের ব্যাপারে আব্দুল হক কবিরাজরা জড়িত না।
জাজিরা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার ডা. তানভীর আহম্মেদ বলেন, গতকাল রাতে রক্তাক্ত অবস্থায় লিটনকে হাসপাতালে আনা হয়। তার বাম হাতের কবজি সম্পন্ন বিচ্ছিন্ন ছিল। বাম পায়ে হার ভাঙা ক্ষত ছিল। আর ডান পায়ের হাঁটুর উরের পেছনের দিকে টেঁটা বিদ্ধ ছিল। যেটা আমরা কেটে দিয়েছি। ডান হাতে ও মাথায় জখম ছিল। আমরা প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকা মেডিকেলে প্রেরণ করেছি।
জাজিরা থানার ওসি মাহবুবুর রহমান বলেন, আহত লিটনকে চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। এখনো কেউ অভিযোগ করতে আসেননি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।