পায়রা সেতুসহ যোগাযোগ ব্যবস্থ্যা উন্নত হওয়ায় খুব সহজেই কুয়াকাটায় আসতে পারছেন এসব পর্যটকরা। এরই মধ্যে রাখাইন পল্লী, ইকোপার্ক, ইলিশ পার্ক, লেম্বুর বন ও সৈকতের ঝাউবাগানসহ বেশিরভাগ পর্যটন স্পট পর্যটকদের পদচারণায় সরব হয়ে উঠেছে। ফলে হোটেল মোটেল ব্যবসায়ীরা করোনাকালীন সময়ের ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে পারবেন বলে অনেকটাই আশাবাদী তারা।
পর্যটন সংশ্লিষ্টরা জানান, সাগরকন্যা খ্যাত এই বালিয়ারিতে একই স্থানে দাঁড়িয়ে সূর্যোদয় ও সূর্যাস্ত দেখা যায় বলেই বিশ্বের বুকে কুয়াকাটার ঐতিহ্য রয়েছে। এছাড়া লাল কাঁকড়ার নৃত্য, সাগরের মোহনীয় গর্জনের সঙ্গে আছড়ে পড়া দৃষ্টিনন্দন ঢেউসহ প্রাকৃতিক সৌন্দর্য উপভোগ করতে এখানে ছুটে আসে লাখো পর্যটক। মূলত পর্যটন মৌসুমের নভেম্বর মাস থেকেই দর্শনার্থীদের আগমন বেড়েছে।
.png)
আর হোটেল মালিকরা বলছেন, ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে টানা তিনদিনের ছুটিতে অধিকাংশ হোটেল-মোটেল অগ্রিম বুকিং হয়ে গেছে। এখন পর্যটকদের চাহিদানুযায়ী রুম দিতে আমাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে।
সমুদ্র বাড়ি রিসোর্ট’র ব্যবস্থপনা পরিচালক জহিরুল ইসলাম বলেন, আমাদের রিসোর্টের সব রুমগুলো ১৬ থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত আগেই বুকিং হয়ে গেছে। ট্যুর অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব কুয়াকাটা টোয়াক সভাপতি রুমান ইমতিয়াজ তুষার বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো হাওয়ায় এবছর বিজয় দিবসের ছুটিতে বিগত বছরের চেয়ে বেশি পর্যটকদের আগমন ঘটবে।
কুয়াকাটা ট্যুরিস্ট পুলিশের জোন সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল খালেক বলেন, ১৬ ডিসেম্বর উপলক্ষে পর্যাপ্ত পর্যটকদের সমাগম হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তাই পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের লক্ষে বিভিন্ন দর্শনীয় পয়েন্টে আমাদের অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।