গ্রেফতারকৃতরা হলেন- ঐ উপজেলার রফিপুর দক্ষিণ মাইজভাগ গ্রামের তোয়ারিছ আলীর ছেলে ফলিক আহমদ, রনকেলী দিঘীরপাড়ের সাদেক আলীর ছেলে মিরন আহমদ, ফুলবাড়ি টিকরপাড়ার মস্তুর আলির ছেলে আব্দুর রহিম ও একই গ্রামের শফিক আহমদের ছেলে কামরান আহমদ।
এর আগে, রোববার চতুর্থ ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে গোলাপগঞ্জে ভোটগ্রহণ শেষে পুলিশ-গ্রামবাসী সংঘর্ষে আব্দুস সালাম নামে এক ব্যক্তি নিহত হন। তিনি ঐ উপজেলার দক্ষিণ ভাগ রামপা গ্রামের মখলিছ আলীর ছেলে। আব্দুস সালাম ঐ গ্রামের বৈটকর বাজারে একটি রিকশা গ্যারেজের মেকানিক ছিলেন।
.png)
মামলা ও গ্রেফতারের তথ্য নিশ্চিত করে গোলাপগঞ্জ মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ জানান, ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার দুপুরে আব্দুস সালামের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। রাতে তাকে দাফন করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সিলেটের গোলাপগঞ্জ উপজেলার ফুলবাড়ি ইউনিয়নে ভোটগ্রহণ শেষে রোববার রাত সাড়ে ৮টার দিকে ৮ ও ৯নং ওয়ার্ডের দুটি কেন্দ্রের ফলাফলকে কেন্দ্র করে চেয়ারম্যান প্রার্থী এমরান হোসেনের লোকজন বৈটিকর বাজারে এসে সিলেট-জকিগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে। ঐ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে চাইলে সংঘর্ষ বাধে। পরে পুলিশ টিয়ার শেল ও গুলি ছুঁড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। সংঘর্ষ চলাকালে বৈটিকর বাজারের রিকশা-গ্যারেজের মেকানিক আব্দুস সালাম গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।