হাসপাতালের বার্ন ইউনিট সূত্রে জানা গেছে, বার্ন ওয়ার্ডে দিনাজপুরের ফুলবাড়ির ৮৫ বছরের তারামনি রায় ও কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ি উপজেলার আশা রানী চিকিৎসাধীন ছিলেন। তারা দু’জনেই শীত নিবারণ করতে গিয়ে খরকুটোর আগুনে দগ্ধ হয়েছিলেন। শরীরের ৭০ শতাংশ পুড়ে যাওয়ায় তাদেরকে বাঁচানো যায়নি। গত সোম ও মঙ্গলবার চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে তাদের।
আরো পড়ুন: বিপুল ভোটে জিতলেন তৃতীয় লিঙ্গের পপি
.png)
হাসপাতালে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঠাকুরগাঁওয়ের হরিপুরের কৃষক নুর মোহাম্মদের ছেলে সাত বছরের সাজ্জাদ পোড়া শরীর নিয়ে বার্ন ইউনিটে ছটফট করছেন। ৩০ ডিসেম্বর বাড়ির পাশে বন্ধুদের সাথে খরকুটোর আগুন পোহাতে গিয়ে দগ্ধ হন তিনি। সাজ্জাদের মত সালামসহ দগ্ধ আরো কয়েকজন শিশুই আছে হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে। এছাড়া কুড়িগ্রামের রৌমারীর তসলিমা বেগম ও রংপুরের মিঠাপুকুরের সামসুন্নাহারও চিকিৎসা নিচ্ছেন।
বার্ন অ্যান্ড প্লাস্টিক সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ডা. শাহিন শাহ জানান, শীত নিবারণে আগুন পোহাতে গিয়ে ঘটছে এমন দুর্ঘটনা। দগ্ধদের অধিকাংশই নারী ও শিশু। গত শনিবার থেকে বার্ন ইউনিটে চিকিৎসা নিচ্ছেন ২৪ জন। এদের মধ্যে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। হাসপাতালের ১৪ শয্যার বার্ন ইউনিটসহ বিভিন্ন ওয়ার্ডে দগ্ধ রাগেীদের চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।
তিনি জানান, আশঙ্কাজনক অবস্থায় ১০ জনকে ঢাকায় রেফার্ড করা হয়েছে। চিকিৎসাধীন রোগীদের বেশির ভাগের শরীরের নিচের অংশ ৩০ থেকে ৬০ ভাগ পর্যন্ত পুড়ে গেছে।