সোমবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে বরখাস্ত হওয়া ওসি প্রদীপসহ ওই মামলার ১৫ আসামিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার থেকে কড়া নিরাপত্তায় আদালতে হাজির করা হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ফরিদুল আলম। তিনি জানান, যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের প্রথম দিন মামলায় ১৫ আসামির মধ্যে অভিযুক্ত এপিবিএন সদস্য শাহজাহান, জুবায়ের ও আবদুল্লাহ আল মামুন এবং পুলিশের তিন সোর্স স্থানীয় তিন বাসিন্দা মিলে ছয়জনের পক্ষে যুক্তিতর্ক সম্পন্ন হয়।
.png)
আরো পড়ুন: টঙ্গীতে ট্রেনের ধাক্কায় ঝরল দুইজনের প্রাণ
আশা করা যাচ্ছে, সোমবার এবং আগামীকাল মঙ্গলবার নির্ধারিত সময়ের মধ্যে বাকি আসামিদেরও শেষ হবে।
তিনি আরও জানান, আলোচিত এ মামলায় ৮৩ জনকে সাক্ষী করা হলেও তার মধ্যে ৬৫ জনের সাক্ষ্য নেয়া হয়েছে। পরবর্তী সাক্ষীদের জেরাও সম্পন্ন করেছে আসামিপক্ষ। গত ১ ডিসেম্বর অষ্টম দফায় ৬৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ এবং জেরা সম্পন্ন হওয়ার পর কার্যবিধি ৩৪২ ধারায় আসামিদের বক্তব্য গ্রহণ করে আদালত। একই সঙ্গে ৯ জানুয়ারি থেকে ১২ জানুয়ারি পর্যন্ত যুক্তিতর্কের জন্য দিন ধার্য করে আদালত।
প্রসঙ্গত, ২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে কক্সবাজার-টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান।
ঘটনার পাঁচ দিন পর ৫ আগস্ট কক্সবাজার আদালতে টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছড়া তদন্ত কেন্দ্রের পরিদর্শক লিয়াকত আলীসহ ৯ পুলিশের নামে হত্যা মামলা করেন সিনহার বড় বোন শারমিন শাহরিয়ার ফেরদৌস।