কক্সবাজার থেকে গাড়িতে করে দক্ষিণ দিকে উখিয়ার কুতুপালং থেকে টেকনাফের নয়াপাড়া মোচনী ক্যাম্প পর্যন্ত প্রায় ৫০ কিলোমিটার বিস্তৃর্ণ এলাকার বনভূমি, খাস জমি মানুষের বসতভিটে, খতিয়ানি জমি ও স্থানীয়দের ঘরের অংশবিশেষ দখল করে বসবাস করছে সাড়ে ১১ লাখ রোহিঙ্গা।
টেকনাফ ও উখিয়ার ভুক্তভোগীরা জানান, স্থানীয়রা গরু-ছাগল, হাঁস-মুরগি কিছু পালতে পারছেন না। দিনে দুপুরে চুরি করে নিয়ে যাচ্ছে রোহিঙ্গারা।
.png)
তারা আরো জানান, তারা চার-পাঁচশ টাকায় কাজ করতেন। এখন রোহিঙ্গারা দুই-তিনশ টাকায় কাজ করে। তাই তারা মাসে ১০ দিনের বেশি কাজ পান না। রোহিঙ্গাদের জন্য ত্রাণ নিয়ে আসা গাড়ির ব্যস্ততার ভয়ে তাদের শিশুরা স্কুলে যায় না।
টেকনাফের হ্নীলা ইউপি চেয়ারম্যান রাশেদ মোহাম্মদ আলী বলেন, আমি নিজেও আমার জায়গায় তাদের (রোহিঙ্গা) থাকতে দিয়েছিলাম। মানবিক কারণে তাদের সহযোগিতা করেছি। কিন্তু বর্তমানে তাদের যন্ত্রণায় সেই সহানুভূতি আর নেই। আজ ১১ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের চাপে নিজেদের জীবন ও জীবিকাই হুমকির মুখে পড়েছে।