এর আগে, রোববার রাতে বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর এলাকা থেকে তাকে আটক করা হয়।
আটক রবিউল আউয়াল ওই উপজেলার দক্ষিন সাধনপুর এলাকার দিদারুল আলমের ছেলে। তিনি বর্তমানে নগরীর কোতোয়ালি থানার নন্দনকানন এলাকায় থাকেন।
.png)
সিনিয়র সহকারী পরিচালক নুরুল আবছার বলেন, গত ৬ ডিসেম্বর স্বজনদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে নিজ বাড়ি যাচ্ছিলেন ভুক্তভোগী ব্যক্তি। বাঁশখালীর গুনাগরি বাজার এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলে এসে তাদের বহনকারী অটোরিকশার গতি রোধ করেন রবিউল আউয়াল। এরপর গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে তাকে নামতে বলেন।
আরো পড়ুন >>> প্রদীপের দুর্নীতির মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণ ১৭ ফেব্রুয়ারি
নামার পর ভুক্তভোগীর স্ত্রীর কিছু ছবি দেখিয়ে তার সম্পর্কে নানা ধরনের অশ্লীল কথাবার্তা বলতে শুরু করেন রবিউল আউয়াল। ওই সময় ভুক্তভোগী তাকে এ ধরনের কথাবার্তা না বলার অনুরোধ জানিয়ে গাড়িতে উঠে দ্রুত চলে যান।
পরে ৭ জানুয়ারি ভুক্তভোগী ফেসবুকে প্রবেশ করে দেখেন- তার স্ত্রীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের কিছু ছবি ছড়িয়ে দিয়ে নানা কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করেছেন রবিউল আউয়াল। এরপরই তিনি বিষয়টি নিয়ে স্ত্রীর বড় ভাইয়ের সঙ্গে আলোচনা করে নগরীর পতেঙ্গা মডেল থানায় জিডি করেন।
এরপরই অভিযুক্তকে আটক করতে তৎপরতা শুরু করে র্যাব। এরই পরিপ্রেক্ষিতে রোববার রাতে বাঁশখালী উপজেলার সাধনপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে রবিউল আউয়ালকে আটক করা হয়।
আরো পড়ুন >>> যে হাতে ছিল পত্রিকা, শতবর্ষী হকার সৈয়দের সেই হাতে ভিক্ষার থালা
র্যাব কর্মকর্তা নুরুল আবছার আরো বলেন, আটকের পর জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের কথা স্বীকার করেন রবিউল আউয়াল। তিনি জানান- ভুক্তভোগীর স্ত্রী তার পূর্ব পরিচিত। ওই সময় তার সরলতার সুযোগে কিছু ছবি মোবাইলে ধারণের পর সংরক্ষণ করেন তিনি। মূলত স্বামী-স্ত্রীর সম্পর্ক নষ্ট করতেই ছবিগুলো ফেসবুকে ছড়িয়ে দেন। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে পতেঙ্গা মডেল থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।