মঙ্গলবার দুপুরে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোনের লেফটেন্যান্ট কমান্ডার বিএন এম মামুনুর রহমান এ তথ্য জানান।
তিনি জানান, সোমবার রাত ১০ টার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন অধীনস্থ বিসিজি আউটপোস্ট নলিয়ানের একটি টহল দল অভিযান চলিয়ে ২৭ কেজি গোশতসহ এক শিকারীকে আটক করে। উদ্ধারকৃত হরিণের গোশত ও আটক হরিণ শিকারীকে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কালাবগী ফরেস্ট অফিসে হস্তান্তর করা হয়েছে।
.png)
আরো পড়ুন >>> প্রবাসীর স্ত্রীর চিরকুটে যা লেখা ছিল
এর আগে গত ৮ অক্টোবর খুলনার কয়রায় ৪২ কেজি হরিণের গোশতসহ আব্দুর রহমান সবুজ নামে এক পাচারকারিকে আটক করে পুলিশ। আটক আব্দুর রহমান সবুজ উপজেলার মহেশ্বরীপুর ইউনিয়নের তেতুলতলারচর গ্রামের মো. আবু সাইদের ছেলে।
জানা গেছে, সুন্দরবনে যে অঞ্চলে কেওড়া গাছ বেশি সেখানে হরিণের বিচরণ বেশি। সংঘবদ্ধ চোরা শিকারিরা সুন্দরবনের গহীনে অবস্থান নিয়ে নৌকা, ট্রলার ও গাছে মাচা পেতে হরিণের গতিবিধি লক্ষ্য করে। হরিণ নদী ও খালের চরাঞ্চলে ঘাস খেতে আসে। শিকারিরা এসব স্থানে ফাঁদ পেতে এবং চেতনানাশক ওষুধ দিয়ে হরিণ শিকার করে। আবার কখনো তারা গুলি ছুড়েও শিকার করে।
আরো পড়ুন >>> কুষ্টিয়ায় হত্যা মামলায় একজনের আমৃত্যু ও ২ জনের যাবজ্জীবন
এসব শিকারিরা গোপন আস্তানায় গোশত তৈরি করে থাকে এবং সুন্দরবন সংলগ্ন মোংলা, দাকোপ, শরণেখোলা, বাগেরহাট, শ্যামনগর, কয়রা, পাইকগাছাসহ বনের আশপাশ এলাকায় সবচেয়ে বেশি হরিণের গোশত পাওয়া যায়।