বৃহস্পতিবার বিকেলে এ তথ্য নিশ্চিত করেন র্যাব-৭ এর সিনিয়র সহকারী পরিচালক (মিডিয়া) নুরুল আবছার। এর আগে, বুধবার রাতে নগরীর পাহাড়তলী থানার রেলওয়ে কলোনি থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার ব্যক্তির নাম উত্তম তালুকদার। তিনি রাউজানের জামুয়াইন এলাকার তালুকদার বাড়ির রনজিত তালুকদারের ছেলে।
.png)
র্যাব জানায়, ২০১৬ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর অ্যাসিড নিক্ষেপ, পরিবারের সদস্যদের হত্যা ও বড় বোনের সংসার ভাঙার ভয় দেখিয়ে পঞ্চম শ্রেণিতে পড়ুয়া ১০ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ করেন প্রতিবেশী উত্তম তালুকদার। পরে শিশুটির পরিবারের সদস্যরা ঘটনাটি জানতে পেরে তাকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে চিকিৎসা করান এবং ওই ঘটনায় রাউজান থানায় মামলা করেন শিশুটির ভাই।
মামলার তদন্ত শেষে আদালতে আসামি উত্তম তালুকদারের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। এরপর চট্টগ্রামের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইবুনাল-২ এ মামলাটির বিচার শুরু হয়।
গুরুত্ব অনুসারে ২০১৮ সালের ৯ সেপ্টেম্বর মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গেজেটভুক্ত হয় এবং দ্রুত বিচার ট্রাইবুনালে বিচারের জন্য স্থানান্তর করা হয়। বিচার শেষে আসামিকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড ও ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত।
র্যাব কর্মকর্তা নুরুল আবছার বলেন, ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন উত্তম তালুকদার। র্যাবও তাকে গ্রেফতারে গোয়ান্দা নজরদারি অব্যাহত রাখে। এরই ধারাবাহিকতায় বুধবার রাতে পাহাড়তলী থানার রেলওয়ে কলোনিতে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে অভিযোগের ঘটনা স্বীকার করেন উত্তম তালুকদার। পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নিতে তাকে রাউজান থানায় হস্তান্তর করা হয়।