গতকাল শুক্রবার একই তাপমাত্রা বিরাজ করছিল। ভোর থেকে ঘন কুয়াশায় ঢেকে গেছে চারদিক। অন্ধকারাচ্ছন্ন পরিবেশ। সেই সঙ্গে উত্তরের ঠাণ্ডা বাতাস আর মাঘের প্রচণ্ড শীতে কাবু হয়েছে পঞ্চগড়বাসী। ভোর থেকে জরুরি প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে কেউ বের হচ্ছেন না। টিপ টিপ করে বৃষ্টির মত ঝরছে কুয়াশা। সূর্যের দেখা নেই। ফলে হেডলাইট জ্বালিয়ে যান চলাচল করতে দেখা গেছে।
আরো পড়ুন: বিদেশগামী যাত্রীর হয়ে করোনার নমুনা দিতে এসে আটক
.png)
তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগাড় কেন্দ্র জানায় আগামী ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত মৃদু থেকে মাঝারি শৈত্য প্রবাহ বয়ে যাবে এই জেলায়। চলতি শীত মৌসুমের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আজ রেকর্ড করা হয়েছে। গতকাল থেকে বাতাসের পরিমাণ বেড়ে যাওয়ার কারণে প্রচণ্ড শীত অনুভূত হচ্ছে। বিশেষ করে রাতের বেলায় ঠাণ্ডায় কাতর হচ্ছে এখানকার জনগণ।শীতবস্ত্রের অভাবে গ্রামাঞ্চলের প্রকৃত শীতার্তরা অসহায় অবস্থায় দিনাতিপাত করছেন।
রাতভর কনকনে শীত । গতকাল সারাদিনই ছিল মেঘাচ্ছন্ন পরিবেশ। সকাল থেকে শুরু করে রাত পর্যন্ত ঠাণ্ডা হাওয়া বয়ে গেছে। এখন পর্যন্ত বাতাস বয়ে যাচ্ছে। এতে নিম্ন আয়ের শ্রমজীবী মানুষের দুর্ভোগ আবারও বেরে গেছে। আগুন পোহানো ছাড়া শীত নিবারণের কোনো উপায় নেই। এদিকে শীতজনিত কারণে হাসপাতালগুলোতে বয়স্ক ও শিশু রোগীদের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে।