শুক্রবার রাতে ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বারচেন মারা যান। এর আগে বুধবার রূপপুর প্রকল্পের গ্রিনসিটি আবাসিক ভবনে ঘুমন্ত অবস্থায় মৃত্যু হয় শাকিরভের। রোববার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন ঈশ্বরদী থানার ওসি আসাদুজ্জামান।
তিনি জানান, শুক্রবার রাতে ‘ভিডিএমইউ’ নামে এক সাব ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা বারচেনকো প্রকল্পে কাজে যোগ দেওয়ার জন্য বের হন। মাইক্রোবাসে করে যাওয়ার পথে হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে তাকে নেওয়ার পর চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
.png)
আরো পড়ুন: স্বামী আসার খবরে কিশোরীর আত্মহত্যা
ওসি আসাদুজ্জামান জানান, শাকিরভ মাকসিম রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের ‘টেস্ট রোসেম’ নামের একটি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ছিলেন। তিনি সাহাপুর ইউনিয়নের নতুনহাট মোড়ে রূপপুর পারমানবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের আবাসিক এলাকা গ্রিনসিটির একটি কক্ষে থাকতেন। বুধবার সকালের দিকে তার রুমে অচেতন অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখেন এক সহকর্মী। পরে গ্রিনসিটি ও রূপপুর প্রকল্পসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের খবর দেওয়া হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠায়।
আরো পড়ুন: ‘এহন আর আমাগো করোনা লইয়া ভয় নাই’
পাবনার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাসুদ আলম জানান, হৃদরোগজনিত কারণে ঐ দুই রুশ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে বলে জানতে পেরেছি। শনিবার সকালে বারচেনকোর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ছাড়া শাকিরভের মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে দূতাবাসের মাধ্যমে নিজ দেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।