সোমবার দুপুর ১২টার দিকে বিকট গর্জন করে শিকল ছিঁড়ে বেরিয়ে এসে এমন তাণ্ডব চালায়।
হাতির মাহুতসহ সার্কাস দলের সদস্যরা হাতিটিকে শান্ত করতে ব্যর্থ হয়ে ফোন দেন ফায়ার সার্ভিসে। তারাও যেতে পারছেন না হাতিটির কাছে।
.png)

হাতির মাহুত মো. মজিবর বলেন, পুরুষ হাতি হওয়ায় নারী সঙ্গীর খোঁজে এমন বেপরোয়া হয়ে গেছে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে। আমরা হাতিটিকে নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছি। চেতনানাশক ইনজেকশন পুশ করলে হয়তো নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে। এরই মধ্যে রংপুর বিভাগীয় বন কার্যালয়ে খবর দেয়া হয়েছে। তারা আসছেন।
হাতিটির অপর মাহুত মাসুম জানায়, যেহেতু পুরুষ হাতি তাই হরমন জনিত কারণে এমনটি হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। তবে পানিতে কিছুক্ষণ ডুবে থাকলে আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসবে। তাই হাতিটি পুকুরে নামিয়ে দেয়া হয়েছে। এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত হাতিটি পুকুরেই ছিল।

মেলার পাশেই চলন্ত একটি পানের দোকানদার রহিম মিয়া জানান, আমি দোকান করছিলা এমন সময় হঠাৎ হাতিটি শিকল ছিঁড়ে তেড়ে আসে এবং আমার দোকানটি দুমড়ে মুচড়ে ফেলে দেয়। এতে আমার দোকানের যাবতীয় মালামল নষ্ট হয়ে যায়।
এদিকে এ খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকাবাসীর মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করে। হাতিটি যেদিকেই যাচ্ছিল লোকজন ছুটাছুটি করছিল। এ সময় একজন আহত হয়ে রাস্তায় পড়ে যায়।

স্টোরপাড়া এলাকর নবিয়ার রুহান জানান, হাতিটি শিকল ছিঁড়ে আসার পর আশপাশের গাছপালা সব উপড়ে ফেলে দেয়। এ সময় নির্মাণকৃত রেলওয়ের প্রাচীর ওয়ালের স্তম্ভ ভেঙে ফেলে দেয়। হাতিটি তার জায়গা থেকে রেলওয়ে স্টেশন হয়ে এক কিলোমিটার দূরে গিয়ে রেলের একটি পুকুরে নেমে শান্ত হয়। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত হাতিটি সেখানেই অব্স্থান করছিল।

লালমনিরহাট সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শাহা আলম বলেন, ‘হাতিটি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। এখন পর্যন্ত হাতিটি কোনো মানুষকে আক্রমণ করেনি বা কারও ক্ষতি হয়নি। হাতিটি বর্তমানে পুকুরে ডুবন্ত অবস্থায় আছে।