মঙ্গলবার চট্টগ্রাম অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ আবদুল হালিমের আদালত এ আদেশ দেন।
এর আগে সোমবার চমেক হাসপাতাল এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে সিআইডি। গ্রেফতার সেলিম কুমিল্লার লাকসাম থানার সাতেশ্বর গ্রামের মৃত নোয়াব আলীর ছেলে। হাসপাতালের লাশঘরে অস্থায়ী ভিত্তিতে কাজ করতেন তিনি।
.png)
আরো পড়ুন: সুদের টাকা না পেয়ে ১৩ বছরের মেয়েকে বিয়ে করলেন সিরাজুল
চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার কামরুল ইসলাম বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
২০২১ সালের ৭ ফেরুয়ারি নগরের চকবাজার থেকে এক নারীর লাশ ও একই বছরের ২৫ মে নগরের চান্দগাঁও এলাকা থেকে ১২ বছর বয়সী এক শিশুর লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। দুটি লাশই চমেক হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়। মৃত্যুর আগে ওই নারী ও শিশু ধর্ষণের শিকার হয়েছিলেন কিনা তা জানতে আলামত সংগ্রহ করে ঢাকায় সিআইডির ল্যাবে পাঠান ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক। ল্যাবের পরীক্ষায় দুইজনকেই ধর্ষণের সত্যতা মিলে। তবে দুইজনকে ধর্ষণকারী হিসেবে আলামত শনাক্ত হয় এক ব্যক্তির।
সিআইডি চট্টগ্রামের পুলিশ সুপার শাহনেওয়াজ খালেদ বলেন, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে নেপথ্যের ঘটনা বের করতে তদন্ত শুরু করি। উভয়ের সুরতহাল প্রতিবেদনে মৃত্যুর আগে ধর্ষণের কোনো আলামত ছিল না। শরীরেও জোরজবরদস্তির কোনো চিহ্ন ছিল না।
তিনি আরও বলেন, সাধারণত ময়নাতদন্তের জন্য লাশ আসার পর সেগুলো লাশঘরে কয়েক ঘণ্টা রেখে দেওয়া হয়। তখন লাশঘরে পাহারাদার ছাড়া তেমন কেউ থাকে না। পরে তদন্তে লাশগুলোর সঙ্গে সেলিমের বিকৃত যৌনচারের বিষয়টি বেরিয়ে আসে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের লাশঘরে লাশগুলো যখন ছিল, তখন সুযোগ বুঝে সেলিম মৃতদেহগুলোর সঙ্গে বিকৃত যৌনসঙ্গমে লিপ্ত হয়।
গ্রেফতারের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার কথা স্বীকার করেছে সেলিম। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে পাঁচলাইশ থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। ২০১৭ সালেও পাঁচলাইশ থানায় তার বিরুদ্ধে একটি ধর্ষণের মামলা হয়েছিল।